• Monday, October 23, 2017
logo
add image
৫ বছরে ৫০ বছর এগিয়ে যাবে চট্টগ্রাম : আবদুচ ছালাম

৫ বছরে ৫০ বছর এগিয়ে যাবে চট্টগ্রাম : আবদুচ ছালাম

গোলাম সরওয়ার,সিটিনিউজ ::  চট্টগ্রাম নগরীকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে সরকারের নেয়া চ্যালেঞ্জকে সফল করতে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে নাগরিক সমাজের সহযোগিতা কামনা করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেছেন, আগামী ৫ বছরে ৫০ বছর এগিয়ে যাবে চট্টগ্রাম। গত ৯ আগস্ট বুধবার একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্প ৫৬১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাণিজ্যিক রাজধানী এ চট্টগ্রামকে যানজট ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। নগরীর অভ্যন্তরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পুরানো খালগুলোকে পূণরায় খনন, সংস্কার, স¤প্রসারনসহ পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রামে আর জলাবদ্ধতার প্রকোপ থাকবে না ।

শনিবার(১২ আগস্ট) নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবিত একনেক সভায় অনুমোদিত নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প সহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন ।

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে সিডিএ । ছবি-মোহাম্মদ হানিফ

মতবিনিময় সভায় আবদুচ ছালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছেন । চট্টগ্রামবাসীর কল্যাণ ও শেখ হাসিনার ভিশন এ দুইটি বাস্তবায়নে আমার কর্মপ্রেরণা। আট বছরে সিডিএ যা চিন্তা করেছে তা বাস্তবায়ন করেছে। নগরীর লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তজার্তিক বিমান বন্দর পর্যন্ত সাড়ে ১৬ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপেসওয়ে নির্মাণে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকার প্রকল্প এবং কর্ণফুলির পাশে কালুরঘাট থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত ১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার সড়কসহ বাধ নির্মাণ করা হবে । এসব প্রকল্প ইতিমধ্যে শেখ হাসিনা একনেক সভায় অনুমোধন দিয়েছেন । দক্ষিন চট্টগ্রামে আগামী ৫ বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হবে। যেসব উন্নয়ন চলমান রয়েছে। বিশাল সম্ভবনার ইকোনমিক জোন,শিল্প নগরী, পর্যটনশিল্প,এশিয়ান হাইওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে দক্ষিন চট্টগ্রামে ।

আবদুচ ছালাম আরো বলেন, এছাড়াও আরো প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে যার মধ্যে পতেঙ্গা হতে ফৌজদার হাট সিটি আউটার রিং রোড, চাক্তাই হতে কালুরঘাট রিং রোড প্রকল্পগুলোও নগরীকে অস্বাভাবিক জোয়ার, জলোচ্ছাস ও জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ করে আবদুল চালাম বলেন, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে নালায় ময়লা ফেলবেন না ও নালার পানির স্রোতে প্র্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন না। পাশাপাশি প্রত্যেকের চারপাশে পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

সমন্বয় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সমন্বয় অবশ্যই জরুরি। এ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের অন্যতম প্রধান ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। ২০২১ সালের মধ্যে নগরীকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে সরকারের এ চ্যালেঞ্জকে সফল করতে প্রকল্প বাস্তবায়নে নাগরিক সমাজের সহযোগিতা খুবই জরুরী। অতীতের মত সকলেই আমাকে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে আমি আশাবাদী।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন সিডিএ বোর্ড সদস্য ও সিডিএর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Leave a reply