• Wednesday, September 19, 2018
logo
add image

কালীপুর এজাহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তি

কালীপুর এজাহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তি


বাঁশখালী প্রতিনিধি,সিটিনিউজ :: বাঁশখালীর কালীপুর এজাহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠান বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু এ অনুষ্ঠানমালা বেলুন, পেষ্টুন ও কবুতর উড়িয়ে উদ্ভোধন করেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ। এরপর হীরক জয়ন্তী উদযাপন পরিষদের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্ভোধক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহেদা ইসলাম।

অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন দেশের প্রাচীনতম দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এমএ মালেক। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন হীরক জয়ন্তী উদ্যাপন পরিষদের মহাসচিব অধ্যক্ষ আ.ন.ম সরওয়ার আলম।

বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য শাহিদা আক্তার জাহান, অধ্যাপক এওয়াইএম জাফর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিরাজদ্দৌল্লা প্রমুখ।

ছাত্রনেতা আ.ন.ম অহিদুল আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এমএ মালেক বলেন, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাহায্যে সকলের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, ছাত্রদের মধ্যে যে সুপ্ত আগুন লুকিয়ে আছে তা জাগিয়ে তোলার জন্য স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকারী শিক্ষার্থীরা আজ নানাভাবে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তিনি চরিত্র গঠনের মাধ্যমে দেশ সেবায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানের উদ্ভোধক চবি ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী বলেন, এ বিদ্যালয় শিক্ষার যে অবদান রেখেছে তা আজকের এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হল। ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আঁধার থেকে আলোয় বেরিয়ে আলোকিত করবে এই দেশ এটাই প্রত্যাশা। তিনি বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার সফলতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই বিদ্যালয়ের জন্য এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ করা হবে এবং বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হবে।

তিনি বলেন, শোষন থেকে জাতিকে মুক্ত করতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করেছে বলে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আধুনিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত করছে। এক সময় এদেশে ডিজিটাল শব্দটা কল্পনা ছিল। আজ বাস্তবে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দেশ আজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। ২০২১ সালের মধ্যে এদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

তিনি বাঁশখালীর উন্নয়নে বর্তমান সরকার যে বিশাল বরাদ্দের মাধ্যমে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সামগ্রিক উন্নয়নে ৬শ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছে বলে তিনি জানান। আলোচনা শেষে বিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকালে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।