• Wednesday, February 21, 2018
logo
add image

চাকরীর নামে প্রেমের ফাঁদ এক নারী গ্রফেতার

চাকরীর নামে প্রেমের ফাঁদ এক নারী গ্রফেতার


নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটি নিউজঃঃ  চাকরীর প্রয়োজনে  বিভিন্ন অফিসে দিয়ে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা কিংবা মালিকের সাথে বিভিন্ন ছলনায় প্রেমের ফাঁদে বা অন্যভাবে ফাঁদে ফেলে পুরুষদের সাথে প্রতারণা করে আসছিল রওশন আক্তার নামে এক সুন্দরী নারী। অবশেষে ধরা পড়লো পুলিশের হাতে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) প্রতারণার দায়ে রওশন আক্তার নামে ঐ মহিলাকে ডিবি পুলশি গ্রফেতার করেছে। মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা বিভাগের ১টি টিম ডবলমুরিং থানাধীন বেপারীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের  রওশন আক্তার নামে এক নারী সদস্যকে গ্রেফতার করেন।

রওশন আক্তার গত মাসে নগরীর হালিশহরস্থ একটি ইঞ্জিনিয়ারীং ফার্মসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রতারনার উদ্দেশ্যে চাকরীর জন্য আবেদন করেন। তার এইরকম প্রতারনার ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের এক এমডি।

গত মাসে রওশন আক্তার হালিশহরস্থ একটি ইঞ্জিনিয়ারীং ফাঁর্মে ভুয়া তথ্য দিয়ে চাকুরীর জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে ঐ প্রতিষ্ঠানের এমডি জনৈক ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক) এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী করেন।

একপর্যায়ে গত ২৩/০১/২০১৮ ইং তারকিে রওশন এমডি সাহেব’কে পরিবারের অভিভাবক’দের সাথে পরিচয় করে দিবে বলে কৌশলে নগরীর বেপারীপাড়াস্থ একটি বাসায় নিয়ে যান।

অফিসের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে নিয়োগ দেওয়ার পূর্বে প্রার্থী সম্পর্কে ভাল করে জানা এবং তার অভিভাকদের সাথে পরিচিত হওয়ার উদ্দেশ্যে ঐ ইঞ্জিনিয়ার রওশনের বাসায় যান। তখন দুপুর আনুমানিক ২টা। বাসায় প্রবেশ করার কিছুক্ষণ পরেই ৩ জন পুরুষ বাসায় প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন।

তারপর এমডি সাহেব’কে মারধর করে তারকাছে থাকা অর্থ, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। কিছুক্ষণ পর প্রতারক রওশনকে পাশে রেখে ঐ চক্রের জনৈক রনি (ছাগলনাইয়া ফেনী) অশ্লীল ছবি তুলে এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করার হুমকি দেয় এবং তাকে আটক রেখে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করেন।

তখন ভিকটিম এমডি সাহেব তার এক বন্ধুর মাধ্যমে প্রতারকদের দেয়া বিকাশ নাম্বারে ১ লক্ষ টাকা মুক্তিপন প্রদান করেন। বাকী ১ লক্ষ টাকা দ্রুত প্রদানের শর্তে মারধর করিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।

উক্ত বিষয়ে ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ ভোরে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ এর এডিসি আবু বকর সিদ্দিক এর নেতৃত্বে একটি টিম বেপারীপাড়ার একটি বাসা থেকে রওশন আক্তারকে গ্রেফতার করেন।

তার স্বীকারোক্তি মতে গ্রেফতারকৃত রওশন আক্তার, জনৈক রনি (ছাগলনাইয়া ফেনী) ও অজ্ঞাত ২ জনসহ মোট ৪ জনকে বিবাদী করে এই সংক্রান্তে ডবলমুরিং থানায় ১টি মামলা দায়ের করা হয়।