• Thursday, January 18, 2018
logo
add image

‘শেখ হাসিনা জঙ্গীবাদ নির্মূলের ক্ষমতা রাখেন’

‘শেখ হাসিনা জঙ্গীবাদ নির্মূলের ক্ষমতা রাখেন’

‘শেখ হাসিনা জঙ্গীবাদ নির্মূলের ক্ষমতা রাখেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিনিউজ :: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, আমরা স্বাধীনতা এনেছি। গণতন্ত্র রক্ষা করেছি। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছি। এদেশ থেকে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদকে চিরতরে নির্মূল করার অদম্য ক্ষমতা রাখি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বেগম জিয়া অনেক আবোল-তাবোল কথা বলছেন। এর কারণ তিনি বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করেন না। তাঁর হাত নিরীহ সাধারণ মানুষের রক্তে রক্তিত। তিনি গণতন্ত্রের নামে পেট্টোল বোমায় নারী, শিশু, শ্রমিক সহ ১০০ দিনে শতাধিক নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছেন। এর দায় তাঁকে অবশ্যই বহন করতে হবে।

তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি তথাকথিত গণতন্ত্র রক্ষা দিবস পালন করে সমগ্র জাতির কাছে উপহাসের পাত্র হয়েছেন। আপনার উচিত ছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না করার জন্য অনুশোচনা দিবস পালন করেন। শেখ হাসিনা সাংবাধানিক বাধ্যবাদকতায় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে গণতন্ত্র রক্ষা করেছেন। তা না হলে দেশে অসাংবিধানিক সরকার হতো এবং গণতন্ত্রের কবর রচিত হতো।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী‘র সভাপতিত্বে মিছিলপূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্রে বলেন, যাদের জঙ্গীবাদের সাথে অতাঁত ও উগ্র সা¤প্রদায়িকতার সাথে সামান্য যোগসূত্রতা আছে তাদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না। তাদের রাজনীতি করারও অধিকার থাকতে পারে না। কারণ তারা জনগণ ও রাষ্ট্রের অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়া ২০০৯ সালে নির্বাচনে সূক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে উগ্র সা¤প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদকে মদত দিয়েছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চালিয়েছেন এবং যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে জাতীয় পতাকাকে খামছে ধরেছেন।

তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে বলে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশ আজ গরীব নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্ব বাংলাদেশ এখন নিন্ম মধ্য আয়ের দেশ এবং অচিরেই মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরোও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী, এম এ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, উপ প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল মনসুর প্রমুখ।

এছাড়া থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যানার-ফ্যাস্টুনসহ মিছিল সহকারে জেলা পরিষদ চত্বরে মিছিলপূর্ব সমাবেশে যোগদান করেন। আনন্দ মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দারুল ফজল মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

উত্তর দিন