চন্দনাইশে ১ দিনে১৩ টি প্রকল্পে সোয়া ৩ কোটি টাকার টেন্ডার
চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ চন্দনাইশ উপজেলার গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের চলতি অর্থবছরে ৩ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সিডিউল বিক্রির জন্য ১দিন সময় নির্ধারণ করায় প্রায় ৬ লক্ষ টাকার সিডিউল বিক্রি হয়েছে। ঠিকাদারদের অভিযোগ পর্যাপ্ত সময় পেলে ২০ লাখ টাকার অধিক সিডিউল বিক্রি হতো।
জানা যায়, সারাদেশের ন্যায় চলতি অর্থ বছরের চন্দনাইশে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে চন্দনাইশে ১৩টি সেতু নির্মাণের জন্য ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে কি এক অজানা কারণে জোয়ারা ইউনিয়নে ৫টি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে জোয়ারা ইউনিয়নে কুলালপাড়া হারগি খালের উপর ব্রিজ ১৮ লক্ষ ২৭ হাজার, উত্তর জোয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কে ব্রিজ ২২ লক্ষ ৮১ হাজার, কুলালপাড়া খারজি খালে ব্রিজ ১৮ লক্ষ ২৭ হাজার, নগরপাড়া মাইজপাড়া বাইগ্যাছড়ি খালের উপর ব্রিজ ১৫ লক্ষ ১২ হাজার টাকা, হিন্দুপাড়া বৈদ্য বাড়ির সামনে ব্রিজ ১৮ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা, ফতেহ আলী চৌধুরী সড়কের মুন্না ছড়ার উপর ব্রিজ ১৮ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা, চন্দনাইশ পৌরসভায় দক্ষিণ হারলা নিদারামপুর সড়কে সেতু ৩২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা, দক্ষিণ হারলা সওদাগর সড়কের সংযোগ সেতু ৩২ লক্ষ ৪১ হাজার ৫শ টাকা, নিদারামপুর বরুমতি খালের উপর সেতু ২৫ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা, কাঞ্চনাবাদে খান্ডার বিল সড়কে সেতু ২৫ লক্ষ ৮৪ হাজার, বরমাতে এসপি দেলোয়ার হোসেন প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কে সেতু ৩২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা, হাশিমপুর মোজাহেরপাড়া এবাদত খানা সড়কে সেতু ২৫ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা, ধোপাছড়ি মরাছড়ার উপর সেতু ৩২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হচ্ছে।
গত ১৯ জুন নোটিশ বোর্ডের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নোটিশের মাধ্যমে ১দিনের সময় দিয়ে টেন্ডার আহবান করা হয়। গত ২০ জুন এ সকল প্রকল্পের অধিনে ২ হাজার ৫শতের অধিক সিডিঊল বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সরকারিভাবে জুন ক্লোজিংএর মধ্যে স্বল্প সময়ে সারা বাংলাদেশে এ টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। ফলে ২০ জুনের অধিক সময় দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিটি প্রকল্পে ৪৫ থেকে ৫০টির অধিক সিডিউল বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি সিডিউল ১ হাজার ৫শ টাকা করে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার সিডিউল বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানান।
অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম বদরুদ্দোজা বলেছেন, প্রকল্প বান্তবায়নের জন্য গত ১৬ জুন মন্ত্রণালয় স্বাক্ষর দিয়ে অর্থ দিয়েছেন। সংবাদ পেয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো গ্রহণ করে সিডিউল তৈরী বিক্রি করতে হয়েছে। ফলে ২০ জুনের মধ্যে নীতিমালা অনুযায়ী সিডিউল বিক্রি করার কথা থাকায় ঠিকাদাররা সময় কম পেয়েছেন। আগামী ২৩ জুন বিকেলে ৪টা পর্যন্তসিডিউল ফরম জমা করে বিকেল ৪টার পর টেন্ডার বক্স ঠিকাদারদের সম্মুখে খোলা হবে। পরবর্তী যাচাই বাচাই সাপেক্ষে প্রকাশ্যে লটারীর মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে বলে তিনি জানান।
