সিটিনিউজবিডি : রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামীর মিছিলের প্রস্তুতিকালে ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে সংঘর্ষে দলটির ৬ নেতাকর্মী নিহত এবং অনেকে আহত হন। ওই ঘটনার বিচারের দাবিতে জামায়াত সারাদেশে বুধবার বিক্ষোভ মিছিল করছে।
যাত্রাবাড়ী:যাত্রাবাড়ীর কোণাপাড়ায় সকালে মিছিলের প্রস্তুতিকালে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় চারটি ককটেলসহ তিনজনকে আটক করা হয়।তারা হলেন- সাদ্দাম হোসেন (২৩), তানভিরুল আহসান জুয়েল (১৮) ও মোস্তফা কামাল (৫০)।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারি জোনের উপ-কমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, সকাল ৮টার দিকে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। নাশকতার আশঙ্কায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কিন্তু তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আট রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় তিনজনকে আটক করা হয়।
তাদের কাছ থেকে চারটি তাজা ককটেল ও ‘২৮ অক্টোবর বিক্ষোভ দিবস পালন করুণ’ লেখা ব্যানার জব্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মিরপুর:রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় বুধবার ভোরে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের আট নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।
তারা হলেন- ইদ্রিস খান (২৪), আরিফুর রহমান (২৩), সাজ্জাদুল আলম (২৫), আবুল কাশেম (৫৫), আনোয়ার হোসেন (৩২), নবীর উদ্দিন (৩৭), আবু সাঈদ (৪৫) ও মাহবুব হোসেন (২৮)।
মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদা পারভীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে জামায়াতের আট নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। মিরপুরের শেওড়াপাড়া এলাকাতে মিছিল বের করার সময় সকাল ৯টার দিকে জামায়াত-শিবিরের চার কর্মীকে আটক করা হয়।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আদাবর: এলাকায় বুধবার সকালে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল থেকে চার কর্মীকে আটক করা হয়। তারা হলেন- খালিদ হাসান (১৯), আশরাফুল আলম (২০), ইমন (১৮), আলীম (২০)।
আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
