বিপিএলের সেরা ১১

0

স্পোর্টস ডেস্ক :: সদ্য সমাপ্ত ৩৪ ম্যাচের বিপিএল থেকে সেরা একাদশ গড়তে হলে আপনি কাকে কাকে রাখবেন? অধিনায়ক হিসেবেই বা কাকে বিবেচনা করবেন? এক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন পছন্দ আসতে পারে।
ওপেনার: তামিম, ইমরুল

প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ছয়টি দল ভেঙে একটি দল করতে গেলে ওপেনিংয়ে ইমরুলকে অবজ্ঞা করার উপায় নেই। ৩১২ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিনি আছেন দ্বিতীয় স্থানে। ঠিক তার পরেই আছেন তামিম ইকবাল, ২৯৮ রান। ওপেনার হিসেবে দিলশানকে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে ইমরুল-তামিমের ধারাবাহিকতা তাকে একটু পিছে ফেলে দিয়েছে।

জহিরুল ইসলাম: ওয়ানডাউনে জহিরুল ইসলামকে বিবেচনা করা যেতে পারে। রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলা এই ব্যাটসম্যানের বিপিএল গড় ৪১.০০। নয় ম্যাচে তার মোট রান ২০৫। বয়সটাও বেশি নয়, ২৯। তাই জহিরুল স্বপ্ন দেখতেই পারেন অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর।

কুমার সাঙ্গাকারা: ব্যাটসম্যান কাম উইকেটরক্ষক হিসেবে সাঙ্গার বিকল্প নেই। ঢাকা ডায়নামাইটসের কাপ্তান সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় প্রথম স্থানে, ৩৪৯।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ: মিডল অর্ডারে জায়গা পাওয়ার বড় দাবিদার বরিশালের অধিনায়ক রিয়াদ। ২৭৯ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তার অবস্থান চতুর্থ। গড় মাত্র ২৭.৯০ হলেও চাপের সময় দলকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষমতা তাকে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে রাখছে।

মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক): ইনজুরি নিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট খেলা মাশরাফি ব্যাটে বলে খুব একটা কিছু করতে পারেননি। তবে অধিনায়কত্বের দক্ষতা তাকে সেরা একাদশে রাখতে বাধ্য করছে। দলকে শিরোপা জেতাতে তার বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত প্রতিপক্ষের সঙ্গে আকাশ-পাতাল ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। রিয়াদকে অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না, মাশরাফিদের বিপক্ষে হেড-টু-হেড ম্যাচে তিনি বাজেভাবে হেরেছেন। সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতায় তিনি মাশরাফির চেয়ে পিছিয়ে। রিয়াদকে বরং সহ-অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

সাকিব আল হাসান: বিপিএলে সাকিব এবার অলরাউন্ডারের অভাব মেটাতে না পারলেও বল হাতে ভালো করেছেন। ১১ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারির তালিকায় তার অবস্থান তৃতীয়। ব্যাট হাতে সফল না হওয়ায় সাকিবকে একাদশে রাখতে হবে স্পেশালিষ্ট স্পিনার হিসেবে।

আসহার জাইদি: টুর্নামেন্ট সেরা জাইদি সেরা একাদশে থাকবেন অলরাউন্ডার হিসেবে। ১৭ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় তার অবস্থান পঞ্চম। আর ব্যাট ২১৫ রান করে আছেন সপ্তম স্থানে। গড়ও চোখ কপালে তোলার মতো, ৫৩.৭৫।

কেভিন কুপার: বোলিং আক্রমণে সবার আগে নাম আসবে কুপারের। বরিশালের হয়ে খেলা কুপার নয় ম্যাচ খেলে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, ২২টি।

আবু হায়দার রনি: বিপিএলের নতুন আবিষ্কার আবু হায়দার রনি। যাকে বাংলাদেশের নতুন সম্পদ মনে করা হচ্ছে। ১২ ম্যাচে ২১ উইকেট নিয়ে তিনি দ্বিতীয় সর্বাধিক উইকেট শিকারি।

মুস্তাফিজুর রহমান: ঢাকার হয়ে খেলা মুস্তাফিজকে রাখতে হবে বিপজ্জনক পেসার হিসেবে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাকে খেলা যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্য চিন্তার বিষয়। ১০ ম্যাচে তার শিকার ১৪ উইকেট। গেইলকে যেভাবে তিনি আউট করেছিলেন, সেটাই বলে দেয় কেন মুস্তাফিজকে বাইরে রেখে মাঠে নামা যাবে না। তাছাড়া সিলেট লিগ পর্বে ঢাকাকে যে ম্যাচে হারিয়ে টুর্নামেন্টের আশা বাঁচিয়ে রাখে ওই ম্যাচে আফ্রিদিও তাকে খেলতে হিমশিম খেয়েছেন। পরের ওভারে আফ্রিদি ম্যাচ বের করে নিলেও মুস্তাফিজ ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.