স্পোর্টস ডেস্ক :: নেইমার না হয় আগে থেকেই ইনজুরিতে। কিন্তু বিশ্ব ক্লাব কাপের সেমিফাইনালে লিওনেল মেসি খেললেন না কেন? আর্জেন্টিনার এক সাংবাদিকের কাছে ব্যাপারটি মনে হয় ‘রহস্যময়’। ফাইনালের আগে লুই এনরিকের কাছে তিনি প্রশ্নটি পাড়লে বার্সেলোনা কোচ হেসেই খুন, ‘আহ্্, আমাকে ছেড়ে দাও! এখানে কোনো রহস্য নেই। আমরা ওকে লুকিয়ে রাখিনি।’ আজ রিভার প্লেটের বিপক্ষে ফাইনালে আর অমন প্রশ্ন ওঠার সুযোগ নেই।
এনরিকের সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ পরই যে অনুশীলনে নেমে পড়েন মেসি! দাপিয়ে বেড়ান ইয়োকোহামা স্টেডিয়ামজুড়ে। আজ তাঁর খেলা নিয়ে তেমন কোনো অনিশ্চয়তা নেই আর। নেইমারও খেলছেন প্রায় নিশ্চিতভাবে। সঙ্গে সেমিফাইনালে হ্যাটট্রিক করা লুই সুয়ারেস তো রয়েছেনই। বিশ্ব ক্লাব কাপের শিরোপা জয়ের অভিযানে বিশ্বসেরা ত্রিফলাই তাই মাঠে নামাতে পারছে বার্সেলোনা। এই বার্সাকে টপকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জেতা তো রিভার প্লেটের জন্য অসম্ভব প্রায়!
বার্সেলোনা কোচ লুই এনরিকে ফাইনালের আগের দিনও দলের সেরা দুই তারকার খেলার ব্যাপারটা খোলাসা করেননি। ‘মেসি ও নেইমারের অগ্রগতি ভালোই হচ্ছে’—এটুকুই বলেছেন শুধু। প্রতিপক্ষ কোচ মার্সেলো গ্যালার্দোর মনে যা-ই থাকুক, মুখে অবশ্য বলেছেন ভিন্ন কথা, ‘আমরা চাই, মেসি-নেইমার-সুয়ারেস সবাই খেলুক।’
ফরোয়ার্ড লাইনে এই তিনজন থাকলে বার্সার জয়টা হয়তো কেবলই সময়ের ব্যাপার। তবে কাগজ-কলমের হিসাবের প্রতিফলন যে মাঠের ফুটবলে সব সময় থাকে না, এনরিকের সেটি ভালো করেই জানা। জানা বলেই আর্জেন্টাইন ক্লাবের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচের আশঙ্কা বার্সেলোনা কোচের, ‘এটি ফাইনাল এবং সেখানে কঠিন ম্যাচই হওয়ার কথা। আমরা এখানে এসেছি বিশ্বসেরা ক্লাব হতে।’ রিভার প্লেটের কোচ গ্যালার্দো মুখিয়ে সেই অঘটনের জন্যই, ‘বার্সেলোনা বিশ্বের সেরা দল। তবে আমাদের জন্য এটি ইতিহাস রচনার সুযোগ।’
এএফপি
