ঢাকা অফিস :: সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঢাকা থেকে পাকিস্তানি কূটনীতিক ফারিনা আরশাদকে প্রত্যাহারের জের ধরে এবার ইসলামাবাদ থেকে বাংলাদেশের কূটনীতিক মৌসুমী রহমানকে ফিরিয়ে নিতে বলেছে পাকিস্তান।
বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে তাকে পাকিস্তান থেকে প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবে শিয়া ধর্মীয় নেতা আলী নিমরের শিরচ্ছেদের প্রতিক্রিয়ায় ইরানে সৌদি দূতাবাসে হামলার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে যে শীতল সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে, এখন বাংলাদেশেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ফারিনা আরশাদকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ যেমন পাকিস্তানকে অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছিল, তেমনি মৌসুমী রহমানকে ফিরিয়ে নিতে ঢাকাকে মৌখিকভাবে বলেছে ইসলামাবাদ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) মৌসুমী রহমানকে সরকার ঢাকায় ফিরিয়ে আনছে না। তাকে পর্তুগালে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান থেকে সরাসরি লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগ দিতে পারেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারি বলেন,‘পাকিস্তানের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা ঠিক হয়নি। পাকিস্তান যদি তাদের অপরাধ স্বীকার করে নিতো তাহলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্ক ইরান ও সৌদি আরবের মতো হয়ে যাচ্ছে। তবে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে তৃতীয় কেউ বেশি সুবিধা না নিতে পারে।’
