ঢাকা অফিস : মিয়ানমারে সাথে বিমান যোগাযোগ চালু হওয়ায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য মিয়ানমারের দ্বার উন্মোচন হলো। মিয়ানমারের উন্নয়নের নতুন যাত্রা শুরুর প্রেক্ষাপটে এটি ব্যবসার একটা গোপন খনিতে পরিণত হবে।
গত ৫০ বছর যোগাযোগের অভাবে বিচ্ছিন্ন থাকা ফলে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ মিয়ানমারের বাজার খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য এক বিরাট সুযোগ সৃষ্টি করবে।
মিয়ানমার মেডকম কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান বিশি বলেন, ‘বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে মিয়ানমারের ওষুধের বাজারে শক্তভাবে তাদের ঘাঁটি গেড়েছে। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ার প্রবেশ পথ খ্যাত এই দেশটিতে নিজস্ব কোনও ওষুধ প্লান্ট নেই।’
বেক্সিমকোর মিয়ানমার বিষয়ক ব্যবসা উন্নয়ন ম্যানেজার সৈয়দ শামীম হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে মিয়ানমারের বাজারে বাংলাদেশ ওষুধ কোম্পানিগুলোর অবস্থান চতুর্থ, এরপরে থাইল্যান্ড ও ভারতের অবস্থান।’ তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেখানকার চিকিৎসকদের মধ্যেও বাংলাদেশের ওষুধ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান ও প্রাইভেট এয়ারলাইন্স নভোএয়ার ঢাকা ও ইয়াংগুনের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে প্রত্যেকে তিনটি করে মোট ৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
এদিকে ব্যবসায়ী নেতারা মনে করছেন, বাংলাদেশকে মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসা-সম্ভাবনা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চালাতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তুলনায় ভারত ও চীন এগিয়ে রয়েছে।
