খেলাধুলা: উপমহাদেশের সব জায়গার চিত্র প্রায় একই। বাবা-মা চান সন্তান লেখাপড়া করে একটি ভালো চাকরী নিয়ে নিশ্চিন্ত জীবন যাপন করুক। পড়ালেখা ও চাকরী বাকরীর বাইরে তারা ভাবতে পারেন না। কিন্তু ভারতের ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ভারতে একটি বিশেষ পরিবর্তন দেখছেন। সন্তান এখন পড়ালেখা করতে না চাইলে তাকে অন্তত ক্রিকেটার হতে উৎসাহিত করেন মা-বাবা।
ভালো জীবন যাপনের জন্য ক্রিকেট খেলাকে চমৎকার পেশা হিসেবে ভাবতে শুরু করেছেন বাবা-মা। দিল্লিতে সোমবার গ্লোবাল স্পোর্টস সামিট শুরু হলো। সেখানে কপিল বলেছেন, “এখন একজন ক্রিকেটার মাত্র ৪০ দিন (আইপিএলে) খেলেই ১০ কোটি রূপি আয় করতে পারে। এটা দারুণ ব্যাপার। ক্রিকেট এখন ভালো ক্যারিয়ার।” সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সদা উদ্বিগ্ন বাবা মায়ের চিন্তা ভাবনাও বদলেছে খেলার বিস্তারের সাথে। বিশেষ করে ক্রিকেটের ক্ষেত্রে এই কথা তো বলাই যায়।
কপিল সেই উদাহরণ টেনেই বলছেন, “সময় ও ভাবনার প্রক্রিয়া বদলেছে। এখন বাবা-মা তাদের সন্তানদের বলে ‘পড়ালেখা করতে না চাইলে অন্তত ক্রিকেট খেল, শচীন টেন্ডুলকার কিংবা রাহুল দ্রাবিড় হও’।” ভারতের সরকারের কাছে তাই কিছু দাবি আছে কপিলের।
কিংবদন্তি অল রাউন্ডার বলেছেন, খেলার অবকাঠামো আরো শক্তিশালী করতে হবে সরকারকে। প্রত্যেক স্কুলের অন্তত ৪০ শতাংশ যাতে খেলার মাঠ থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। ক্রীড়া সামগ্রীর ওপর কর কমাতে হবে। তাহলেই ভারত খেলার মাঠ থেকে আরো চ্যাম্পিয়ন পাবে।
