শেখ কামাল ও শেখ জামাল সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

0

পটুয়াখালী: যানবাহন চলাচলের জন্য প্রস্তুত পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শহীদ শেখ কামাল ও শহীদ শেখ জামাল সেতু। ২৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে সেতু দু’টি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনের পরই যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের জন্য সেতু দুটি উম্মুক্ত করে দেয়া হবে। এর ফলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় যাতায়াতে আর থাকবে না ফেরির বিড়ম্বনা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঘটবে এক নবদিগন্তের সূচনা। প্রসার ঘটবে পর্যটন শিল্পসহ এই অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যেও।

এ বিষয়ে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ বলেন, ‘কুয়াকাটা-কলাপাড়ার ২২ কিলোমিটারের মধ্যে ৩টি ফেরি থাকায় পর্যটকসহ এলাকাবাসীকে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। সেতু তিনটি নির্মাণ হওয়ায় সেই বিড়ম্বনা আর থাকবে না এবং পর্যটদেকর আগমন বৃদ্ধিসহ এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যেরও অনেক প্রসার ঘটবে।’

কলাপাড়া উপজেলার আন্ধারমানিক নদীর ওপর নির্মিত ‘শহীদ শেখ কামাল সেতু’টির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১১ সালের জুনে। ইতোমধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থাসহ এ সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গেছে। ৮৯১ দশমিক ৭৬ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের এ সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

অপরদিকে, সোনাতলা নদীর ওপর ‘শহীদ শেখ জামাল সেতু’র নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১২ সালের মার্চে। ৪৮২ দশমিক ৩৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের এ সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

পটুয়াখালী চেম্বার অফ কমার্সের সাবেক সহ সভাপতি গাজী হাফিজুর রহমান সবির বলেন, ‘ব্রিজ দুটি খুলে দেয়ার ফলে এ অঞ্চলের আর্থ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। কর্মস্থানের পরিধী যেমন বাড়বে তেমনি দক্ষিণ অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আরো লাভবান হবে।’

এ বিষয়ে পটুয়াখালীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ২৫ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের জন্য শহীদ শেখ কামাল সেতু ও শহীদ শেখ জামাল সেতু পুরোরপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক সোলার প্যানেলসহ অনান্য সুযোগ সুবিধাও।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.