সিটিনিউজবিডি : হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে বজ্রপাতে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। ওই স্কুলছাত্রী হলো রাজনগর গ্রামের সফিকুল ইসলামের মেয়ে মীম আক্তার (৮)। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে সে মারা যায়। আহত হন তার মা সুপর্ণা আক্তার (৩২)। তাঁকে মাধবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মীম স্থানীয় হরিণখোলা সেনা স্মৃতি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লায় আজ সোমবার বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে চারজন।
হবিগঞ্জের সদর উপজেলার চানপুর গ্রামে আজ বেলা একটার দিকে বজ্রপাতে আরমান আলী (৩৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সদর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন বলেন, বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আরমান আলীর মৃত্যু হয়।
এদিকে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের সুতারপাড়ায় বজ্রপাতে মো. ফারুক মিয়া (১৩) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। করিমগঞ্জ থানার ওসি দীপক মজুমদার বলেন, আজ বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশের একটি খালে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ফারুক। সুতারপাড়া গ্রামের কবির উদ্দিনের ছেলে ফারুক স্থানীয় সুতারপাড়া দারুস সালাম হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। এ ছাড়া নিকলী উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় বজ্রপাতে তিন স্কুলছাত্রী আহত হয়েছে। তারা হলো নিকলী সদরের আলিয়াপাড়া এ বি নূরজাহান উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী নাভানা আক্তার, তার বোন একই শ্রেণির ছাত্রী শামীমা আক্তার ও নবম শ্রেণির ছাত্রী তুর্কি আক্তার।
কুমিল্লার দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলায় আজ সোমবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, দাউদকান্দি উপজেলার চরমাহমুদ্দী গ্রামের কাছে গোমতী নদীতে বালু উত্তোলনের কাজ করার সময় বাবুল মিয়া (২১) নামের এক তরুণ মারা যান। তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায়। দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার নাসির উদ্দিন বলেন, এলাকাবাসী হাসপাতালে বাবুলকে আনার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
আর তিতাস উপজেলার মৌটুপী গ্রামে মাঠে কাজ করার সময় রাসেল মোল্লা (২০) নামের আরেক তরুণ বজ্রপাতে মারা যান। তাঁর বাড়ি মৌটুপী গ্রামে। তিতাস থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Comments are closed.