কল্যাণ বড়ুয়া মুক্তা, বাঁশখালী :সম্প্রতি সময়ে বাঁশখালী-পেকুয়া সড়কে তিন চালানে প্রায় ৫ হাজার পিচ ইয়াবা সহ তিন জন ব্যবসায়ী আটক হওয়ার পর সাধারণ জনমনে নতুন করে ধারণা হচ্ছে বাঁশখালী পেকুয়া সড়কটি কি ইয়াবা পাচারের নতুন ঠিকানা। তা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন এবং গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। প্রথম দফায় এক হাজার পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করা হয় নুরুল আবছার প্রঃ নুর উল্লাহ (২৮) কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানার ইনানী এলাকার আবুল হোসনের পুত্র। দ্বিতীয় দফায় মোঃ আলম প্রঃ আক্তার (২৫) পিতা- সেকেমালী আকন্দ, সাং- চর লক্ষীপুর, ডাকঘর- চরপদ্দা, থানা- মুলাদী, জেলা- বরিশাল এর নিকট হইতে জব্দ তালিকায় বর্ণিত উদ্ধারকৃত ৩০০০ (তিন হাজার) টি এ্যামফিটামিনযুক্ত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট ও ০৫টি ১০০০/- টাকার জাল নোট এবং ইসমাইল (৫০) পিতা- মৃত মোঃ ছিদ্দিক, সাং- হালিশহর, বড়পোল, পূর্ব সুন্দবী পাড়া, থানা- হালিশহর, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নিকট হইতে উদ্ধারকৃত ৪০০টি এ্যামফিটামিনযুক্ত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট পুইছড়ি প্রেম বাজার নামক স্থান হইতে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়া আসা হয়। তাদের আটকের পর বাঁশখালী থানা পুলিশ বর্তমানে প্রতিদিন বাঁশখালী পুঁইছড়ি সীমান্তে সকল ধরনের যানবাহন তল্লাশী সহ ইয়াবা সন্ধানের সম্ভাব্য সকল স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়। বর্তমানে বাঁশখালীর প্রতিটি চেক পয়েন্টে মাদক দ্রব্য থেকে শুরু করে সকল প্রকার অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য সারা বাঁশখালী জুড়ে সাড়াশী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান বাঁশখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার মজুমদার। তিনি বলেন, বর্তমান বাঁশখালী থানার সকল স্থানে সাড়াশী অভিযান চালানো হচ্ছে অপরাধের সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতারে। তিনি আরো বলেন ইতিমধ্যে এ অভিযানে প্রায় শতাধিক বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী, চাঁদাবাজ ও ডাকাত সহ ইয়াবা ও মাদকের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। যারা এসব কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট তারা যে দলের হোক না কেন তাদেরকে বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, বাঁশখালীবাসী যাতে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয় এ ব্যাপারে সকল ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.