স্পোর্টস ডেস্ক: ব্যাটসম্যানদের অধোগতির ব্যাটিং এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের জন্য সবচেয়ে পীড়াদায়ক বিষয় ছিল। বিশেষ করে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার জন্য।
সতীর্থদের শম্বুক গতির ব্যাটিংয়ের ঘাটতি কাটাতে ব্যাট হাতে সামনে এসে নেতৃত্ব দেয়ার প্রয়াস চালাচ্ছিলেন মাশরাফি কয়েক ম্যাচ ধরেই।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ব্যাটসম্যান মাশরাফির তোপে পুড়ল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।
বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৫১ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ১০৪ রানের ইনিংসে চার মাত্র দুটি। ছক্কা ১১টি! স্ট্রাইক রেট ২০৩.৯২। ৩৫ বলে করেছেন হাফ সেঞ্চুরি। পরের ১১ বলে তুলেছেন ৫৪ রান। ৫১ বলে মাশরাফির এ সেঞ্চুরি বাংলাদেশে লিস্টে ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি। তার মারা ১১টি ছক্কাও লিস্টে ক্রিকেটে রেকর্ড।
মাশরাফির বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে কলাবাগানও পেয়েছে বিশাল স্কোর। ৭ উইকেটে ৩১৬ রান তুলেছে কলাবাগান।
৩৬তম ওভারে উইকেটে এসেছিলেন মাশরাফি। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়েছিলেন জসিম উদ্দিন। তিনি ৯৭ বলে ৬৪ রান করেছিলেন। প্রথম তিন বল ডট দিয়েছিলেন মাশরাফি। পরেই শুরু হয় ব্যাটিং তান্ডব।
নাজমুস সাদাতকে পরপর দুই চার ও ছক্কা মারেন। ৪০তম ওভারের শেষ বলে আবার সোহাগ গাজী ছক্কা মারেন।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে মেরেছেন ২টি ছক্কা। মুক্তার আলীর ৪৬তম ওভারে মারেন তিন ছক্কা। ৪৮তম ওভারে ওয়াহিদুল আলমকে মেরেছেন চার ছক্কা। ওই ওভারের শেষ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। পরের ওভারে শফিউলের শিকার হয়ে ফিরেন সাজঘরে।

Comments are closed.