খেলাধুলা : দলে ফিরে আসাটা স্মরণীয় করে রাখলেন সুনিল নারিন ও কাইরন পোলার্ড। বল হাতে নারীন ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন ২৭ রানে। আর ব্যাট হাতে ৬৭ বলে ৬৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪ উইকেটের জয় পাইয়ে দিয়েছেন পোলার্ড। শুক্রবার গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১১ বল হাতে রেখে ৬ উইকেট হারিয়ে ওই রান টপকে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
দক্ষিণ আফ্রিকা শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন রানে (১৫২) অলআউট হয়েছিল ১৯৯২ সালে। তারপর এই প্রথম এত কম রানে গুটিয়ে গেলো প্রোটিয়ারা। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকাকে দারুণ শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন দু’ওপেনার হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক।
৯.৫ ওভারে দুজনে মিলে তুলে ফেলেন ৫২ রান। ডি কক (৩৪ বলে ৩০) ফিরে যাওয়ার পরের ওভারেই নারীনের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন আমলা (২৬ বলে ২০)। এরপর অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স ও রাইলি রুশো তৃতীয় উইকেটে ৭৮ রান যোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কক্ষপথেই রাখেন। ১৩০ রানে ডি ভিলিয়ার্স ফিরে যান ব্যক্তিগত ৩০ রান করে। ৪৯ বলে খেলা তার এই ইনিংসে কোনো চার বা ছক্কা ছিল না! এই ভাবে চলতে চলতে তাদের সংগ্রহ হয় ফলে ৪৬.৫ ওভারে ১৮৮ রানেই শেষ হয় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।
এদিন নারিনের রহস্যময় স্পিন বুঝতেই পারেননি প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। ৯.৫ ওভার বল করে তিনি ২৭ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজও শুরুতে স্বস্তিতে ছিল না। স্কোরবোর্ডে ৫৩ রান উঠতেই তাদের হারাতে হয় আন্দ্রে ফ্লেচার (১১), জনসন চার্লস (৩১) ও মারলন স্যামুয়েলসের (১) উইকেট। টি২০ বিশ্বকাপ মিস করা কাইরন পোলার্ড ৬৭ বলে দুই চার, ছয় ছক্কায় ৬৭* রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছেন। বাকিদের মধ্যে ড্যারেন ব্রাভোর ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ রান, ৬২ বলে।
কাইল অ্যাবোট, কাগিসো রাবাদা ও অ্যারন ফাঙ্গিসো যথাক্রমে ২৬, ৩৪ ও ৪০ রান দিয়ে পেয়েছেন ১টি করে উইকেট। অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যের পুরস্কার পেয়েছেন সুনিল নারিন ম্যাচসেরা হয়ে।

Comments are closed.