ঢাকা : গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ২০ জিম্মি ও ৬ সন্ত্রাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।
শুক্রবার রাতে বন্দুকধারীরা হামলা চালানোর পর রাতভর ক্যাফেটি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ঘিরে রাখার পর সকালে সামরিক বাহিনী যুক্ত হয়ে শুরু করে কমান্ডো অভিযান। অপারেশন থান্ডারবোল্ট নামের এই অভিযান সকালে ৭টা ৪০ মিনিটে শুরু হয়ে সকাল সাড়ে ৮টায় শেষ হয় বলে জানান ব্রিগেডিয়ার নাঈম।
তিনি বলেন, প্যারা কমান্ডোরা ৭টা ৪০ মিনিটে অপারেশন শুরু হয়, ১২ থেকে ১৩ মিনিটের মধ্যে সকল অপরাধীকে নির্মূল করে সকাল সাড়ে ৮টায় অভিযানের সফল সমাপ্তি ঘটে। এরপর তল্লাশি চালিয়ে ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, এদের সবাইকে রাতেই হত্যা করা হয়। ধারাল অস্ত্রের মাধ্যমে নৃশংসভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে জানান এই সেনা কর্মকর্তা।
নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও তারা সবাই বিদেশি বলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান তিনি।
অভিযানের মাধ্যমে ৩ বিদেশি নাগরিকসহ ১৩জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এসময় ৬ সন্ত্রাসী নিহত ও একজন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ৪টি পিস্তল, একটি ফোল্ডেডবাট একে-২২, ৪টি অবিস্ফোরিত আইআইডি, একটি ওয়াকিটকি সেট ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Comments are closed.