মো. দেলোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গরুর বাজার বসাকে কেন্দ্র করে বিপাকে পড়েছে বাজার ইজারাদারেরা। এ ব্যাপারে আজ ৩ সেপ্টেম্বর সকালে বাজার ইজারাদারদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার যৌথ এক সভা উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে পূর্বে নির্ধারিত গরু বাজারগুলোতে কোরবানী ঈদে গরুর বাজার বসানোর জন্য বলা হয়। এতে করে বাজার ইজারাদারেরা সহ ক্রেতারাও বিপাকে পড়েছে। চন্দনাইশে গরুর বাজার হিসেবে বাগিচাহাট, কালিহাট, খোদারহাট নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু প্রতি বছর কোরবানীর পূর্বে এ সকল হাট ছাড়াও চন্দনাইশ সদর থানা বাজার, দোহাজারী বাজার, রওশনহাট, ধামাইরহাট, মৌলভীবাজার, বরকল ব্রীজ, চামুদরিয়া বাজার, দেওয়ানহাট, জামতল, নাজিরহাট, বদল ফকির হাট, ইউনুচ মার্কেটে গরুর বাজার বসে। গত বছর চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হাইওয়ে সড়কের পাশে গরু বাজার বসা নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরও মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় গরুর বাজার বসতে দেখা যায়। সে কারণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মহাসড়কে যানজট এড়াতে মহাসড়কের পাশে গরুর বাজার বসানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু চন্দনাইশ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত গরুর বাজার ছাড়া কোরবানী ঈদে গরুর বাজার বসানো নিষেধ করায় বিপাকে পড়েছে ইজারাদার, গরু ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান বলেছেন, উল্লেখিত নির্ধারিত গরুর বাজার ছাড়া খানহাটে গরুর বাজার বসবে। তাছাড়া চন্দনাইশ সদর বাজারটির ব্যাপারে তিনি সদয় বিবেচনায় রেখেছেন বলে জানান। এছাড়া অন্য কোন জায়গায় কোরবানী ঈদের গরুর বাজার বসাতে হলে জেলা প্রশাসকের বরাবরে দরখাস্তের মাধ্যমে অনুমতি নেয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
