সিটিনিউজবিডি : কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়ের একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ আজ মঙ্গলবার সকালে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত ব্যক্তির নাম রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাহাত উল্লাহ। তিনি (রাহাত) কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পূর্বগজালিয়া গ্রামের আলী আহমদের ছেলে।
পুলিশের দাবি, রাহাত (৩৮) একজন ডাকাত। ডাকাতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রতিপক্ষ বনদস্যুদের গোলাগুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও রামু থানায় অপহরণ, ডাকাতি, অস্ত্রসহ পৃথক ১৭টি মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ জানায়।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, স্থানীয় লোকজনের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের পানেরছড়া জঙ্গল থেকে রাহাতের লাশ উদ্ধার করে। তাঁর শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেশে তৈরি একটি একনলা কাঠের বন্দুক, আটটি তাজা কার্তুজ ও কার্তুজের ছয়টি খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ওসি আরও বলেন, কক্সবাজার ও বান্দরবানের জঙ্গলবেষ্টিত পাহাড়ের ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রায় ২৮ কিলোমিটারের ‘ঈদগাহ-ঈদগড়-বাইশারি’ সড়কে একাধিক বনদস্যু দলের আস্তানা আছে। মুক্তিপণের জন্য দস্যু বাহিনী লোকজনকে অপহরণ, লোকজনের ঘরবাড়িতে লুটপাটসহ হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। লুটের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রতিপক্ষ দস্যুদলের সঙ্গে গোলাগুলিতে ডাকাত রাহাত নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত চার মাসে একাধিক বনদস্যু দলের গোলাগুলিতে কয়েকজন ডাকাত ও সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ ঈদগড় জঙ্গল থেকে কক্সবাজার শহরের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সিফাত ও তাঁর ভাই আরফাত, ডুলহাজারা এলাকার ডাকাত সরদার ইনু ও ডাকাত রশিদের লাশ উদ্ধার করে।
