নিজস্ব প্রতিবেদক::মহেশখালিমহেশখালি উপজেলার ক্রাইমজোনখ্যাত কালামারছড়ার নোনাছড়ি খালে লবণ বোঝাই কার্গো ট্রলার পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় শেষ পর্যন্ত তদন্তের অগ্রগতি হচ্ছে বলে জানা যায়।
এলাকাসুত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১টার সময় কালারমারছড়া পুলিশ ফাড়ির তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমাম আলির নেতৃত্বে এক দল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে নিশ্চিত করেন।
ঘটনার বিবরণে আরো জানা যায়,গত ৩১শে জানুয়ারী মঙ্গলবার রাত ২টার সময় ওসমান মাঝির মালিকানাধীন মজিদের ভাড়াটে ট্রলারটি মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা ডিজেল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এমনকি শ্রমিকদের ব্যাপক মারধর করে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা ও পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ধলঘাটার ব্যবসায়ী মজিদ বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িকে অবহিত করলে আজ পুলিশি তদন্ত নেমেছে বলে জানান তিনি।
তথ্যসুত্রে জানা যায়, ট্রলারটির নাম এফবি ওসমান গনি। ৩৩ অশ্ব শক্তি সম্পন্ন ১২শত মণ ধারণ ক্ষমতার কাঠের বোট। ঘটনার সময় ট্রলারের মাঝি বাদশাসহ অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে ছিলেন করিম,সাকের, শহিদুল্লাহ সহ কয়েকজন।
এদিকে ধলঘাটার সাপমারারডেইল এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারের মালিক ওসমান জানান, লবণ আনা নেওয়ার জন্য ট্রলারটি ভাড়া নিয়েছিলেন মজিদ কোম্পানি। বর্তমানে তিনি অসহায় দিন যাপন করছেন কেননা এটাই ছিলো তার জীবিকার উৎস।
মজিদ কোম্পানী ধলঘাটার বাসিন্দা হলেও তার বেশির ভাগ ব্যবসা বানিজ্য গড়ে ওঠে মুলত কালামারছড়ায়। ফলে তার অনেক শত্রু থাকতে পারে বলেও জানান তিনি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসনের সুষ্ঠ তদন্তপুর্বক কে বা কারা এমন নির্মম ঘটনা ঘটিয়ে তা খতিয়ে দেখার।
এ বিষয়ে কালামারছড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ও অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমাম আলি জানান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে কেউ বলতে পারছেনা। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানান। এমনকি অপরাধী যারাই হোক না প্রচলিত নিয়মে আইনানাুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
