প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো কার্ডের স্তূপ মধুর ক্যান্টিনে
সিটিনিউজ ডেস্ক : বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভেচ্ছা কার্ড পাঠালেও তা পৌঁছেনি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কাছে। শেখ হাসিনার সই করা প্রায় এক হাজার কার্ড পাওয়া গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের রান্নাঘরের ময়লা রাখার স্থানে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে ছাত্রলীগের ভেতরে।
শনিবার সকালে মধুর ক্যান্টিনে কর্মরত এক কিশোর ছাত্রলীগের কর্মীদের ডেকে নিয়ে ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা কার্ডগুলো দেখায়।
এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের একাংশ শেখ হাসিনার কার্ড ফেলে দেয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সারাদেশের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কার্ড পাঠান শেখ হাসিনা। এর মধ্যে বাদ যায়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও। এই কার্ড বিতরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা বলেছেন, ‘তিনি প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার স্বাক্ষরযুক্ত যে কোনো দাওয়াত বা শুভেচ্ছা কার্ড তাই যে কোনো মানুষের কাছে খুবই গুরুত্ব এবং তাৎপর্য বহন করে। শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত একটা কার্ড পেতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা বড় রাজনীতিবিদ সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। এমন কাঙ্ক্ষিত একটা কার্ড আমরা পেয়েও পেলাম না’।
অনেক নেতা-কর্মী ফেসবুকে পাবলিক পোস্ট দিয়েও শেখ হাসিনার কার্ড ফেলে দেয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মেহেদি হাসান রনি লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের জন্য পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা কার্ড ও গণভবনের নিমন্ত্রণপত্র মধুর ক্যান্টিনের রান্নাঘরে রাখা আছে। মাননীয় নেত্রীর শুভেচ্ছাসহ কার্ডগুলো শুধু গণভবনে যাওয়ার অনুমতিই নয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জন্য আপার শুভেচ্ছা উপহার। সেখানে প্রায় ৮০০-১০০০ কার্ড রয়েছে। আমরা নেতাকর্মীরা পেলেও রেখে দিতাম’।
