বাঁশখালী প্রতিনিধি : বাঁশখালীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে ৭ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের ডোংরা এবং গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কুকুরের কামড়ে আহত বেশ কয়েকজন হলেও তাদের মধ্যে ৭ জনকে বাঁশখালী হাসপাতালে আনা হলে ৪ জন প্রাথমিক চিকিৎসা বাড়ী ফিরে গেলেও ৩ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রমতে, গতকাল দুপুরে বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নের ডোংরা গ্রামে হঠাৎ পাগলা কুকুরের দল জনগণের উপর চড়াও হয়। এতে প্রায় ৪-৫ থেকে জনকে আহত হয় তাদের বাঁশখালী হাসপাতালে আনা হলে ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ৩ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে।
তারা হলেন- ডোংরা এলাকার মোঃ হোসেনের স্ত্রী হোসনে আরা (৩৫), নেজাম উদ্দিনের স্ত্রী আরজু আক্তার (২৮) ও রায়ছটা এলাকার মোঃ আমিরের কন্যা তানিয়া আক্তার (১১)। এছাড়াও কুকুরের কামড়ে আহত অন্যরা হলেন- গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা এলাকার মোঃ হারুনের পুত্র রায়হান (১১), খানখানাবাদের ডোংরা এলাকার মোঃ কালুর কন্যা শারমিন আক্তার (১১), একই এলাকার আলী আহম্মদের পুত্র একে খান (৩) এবং রফিক আহম্মদের পুত্র মোঃ নাজিম (৪১)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাদেরকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়ার সাধারণ আহতরা বাড়ী ফিরে গেলেও গুরুতর আহত ৩ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জানা যায়, বাঁশখালী হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ কুকুরের কামড়ের ভেকসিন স্বল্পতা থাকলেও তা নিয়ে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে সাধারণ রোগীরা কুকুরের কামড়ের পর হাসপাতালে এলে ওই সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হয়।
বিশেষ করে প্রতিটি ভেকসিন ৪-৫শ টাকা হওয়ায় এবং বেশ কয়েকটি ভেকসিন রোগীকে পুস করতে হওয়ায় সাধারণ রোগীদের ক্ষেত্রে তা সম্ভবপর হয়ে উঠে না। বিগত দিনে হাসপাতালে সমন্বয় সভায় এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন জনগণকে কুকুরের ভেকসিন সহায়তা করার জন্য আহবান জানানো হয়।
