শহিদুল ইসলাম, সিটিনিউজ, উখিয়া::মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়াবাড়ী রকমের শক্তি প্রয়োগ ও নিষ্ঠুরতার অভিযোগ নতুন নয়। গেল বছরের অক্টোবরে পরিচালিত অভিযানটি সাম্প্রতিক কালে বিশ্ব জুড়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত। একটি হামলায় তিনজন নিরাপওা রক্ষীর প্রাণ হানির জবাবে সে সময়ে দেশটির সেনাবাহিনী যে অভিযান চালায়, তার পরিণতিতে দেশান্তরি হয়ে শুধু তখন এদেশে পালিয়ে এসছেন ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা নাগরিক।
গত ২৩ অাগষ্ট কফি অানান যখন মিয়ানমারের নেতা অংসান সুচির কাছে তাঁর চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করেন।গত ২৫ অাগষ্ট ভোরে অারকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন অার্মি নামের বিদ্রোহীরা একযোগে অন্তত ২৫টি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালিয়েছে।ওইসব হামলায় নিহত ব্যক্তির সংখ্য শতাধিক বলে মিয়ানমার সরকার গন্য মাধ্যমে জানিয়েছেন।গত দুই সপ্তাহে বাংলাদেশে এক লাখ ২৩হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রবেশ করেছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাতময় পরিস্হিতিতে বেসামরিক নিরীহ নাগরিককের মৃতু্র হার বাড়ছে এবং বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। গত মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্হার (ইউ এন এইচ সি অার)বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।
বি্ভিন্নস্থানে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গাদের ককসবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালীতে অাবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার। বনবিভাগের ৫শ একর জমিতে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই ( সেফ জোনের) নিরাপওার য় অাইন শৃঙ্গলা রক্ষাকারী বাহিনীর শতাধিক সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এছাড়া পুরো এলাকায় বসানো হবে সিসিটিভ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার কুতুপালং শরনাথী ক্যাম্প ও অনিবন্ধিত ক্যাম্প,বালুখালী অনিবন্ধিত ক্যাম্প, টেকনাফের নয়াপাড়ানিবন্ধিত ক্যাম্প, লেদা অনিবন্ধিত ক্যাম্প, এবং শাপলাপুর অনিবন্ধিত কাম্পের অায়তন ও বাড়ানো হবে। এসব ক্যাম্পে পযার্প্ত অানসার নিয়োগ করা হবে। যেকোনা জরুরি প্রযোজনে পুলিশ, র্যাব ওবডার্ গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রোহিঙ্গাদের নিরাপওা দেবে। সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ককসবাজারেরর উখিয়ার ক্যাম্প গুলো পরির্দশনে অাসছেন দুযোর্গ ব্যবস্হাপনা ও ত্রান মন্তী মোফাজ্জল হোসেন মায়া এবং সচিব শাহ কামাল সহ ঊধ্বতর্ন কমর্কতারা।
