ঢাকা : ব্যক্তিগত গাড়িতে পুলিশ, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার নাম উল্লেখ করে ‘আলগা স্টিকার’ ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করলে স্টিকার ব্যবহারকারী গাড়ির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ (৪ মে) বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এই কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, যানবাহনে ‘পুলিশ’, ‘সাংবাদিক’, ‘চিকিৎসক’, ‘সিটি করপোরেশন’, ‘আইনজীবী’ ইত্যাদি লেখা দেখা যায়। এ ধরনের আলগা স্টিকার সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করে অপরাধ করতে পারে। অনেকে এই স্টিকার ব্যবহার করে উল্টো পথে সহজে যাওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। পুলিশের সব ধরনের যানবাহনসহ পুলিশ সদস্যদের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত গাড়িতে ‘পুলিশ’ বা ‘ডিএমপি’ লেখা স্টিকার ব্যবহার না করার জন্য ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ ধরনের স্টিকার ব্যবহারকারী গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নাম যানবাহনের ওপর লিখে চলাচলের পরামর্শ দেন তিনি।
সাংসদ ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পাঁচ ধরনের নতুন স্টিকার গাড়িতে ব্যবহার করতে হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, পুরোনো স্টিকারের পরিবর্তে সাংসদ ও তাঁদের পরিবারের জন্য ব্যবহৃত গাড়িতে দুই ধরনের এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত গাড়িতে তিন ধরনের স্টিকার ব্যবহার করতে হবে।
যানবাহনে হাইড্রলিক হর্ন ব্যবহার করা যাবে না উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যানবাহনে হাইড্রলিক হর্ন ব্যবহার করার বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। এ ধরনের হর্ন ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। হাইড্রলিক হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধে গত ২৪ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ৪০৭টি মামলা ও ব্যবহৃত হাইড্রলিক হর্নগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া গাড়িতে হুটার ও বিকন লাইট ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।’ এছাড়া রাজধানী ঢাকায় গাড়িতে বেআইনিভাবে হাইড্রোলিক হর্ন যারা ব্যবহার করছেন তাদের সেটি খুলে ফেলতে হবে। নয়তো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Comments are closed.