তথ্য ও প্রযুক্তি : বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের পরও দেশের বিভিন্ন স্থানেই পাওয়া যাচ্ছে আগে থেকে চালু মোবাইল সিম। বিষয়টি রীতিমতো ভয়ঙ্কর। সন্ত্রাসী, জঙ্গিরা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাধারণ নিরাপরাধ মানুষকে বিপদে ফেলবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ধরনের সিম বিক্রির অভিযোগ আসার পর চালু থাকা (প্রিঅ্যাকটিভেট) মোবাইল সিম বিক্রি বন্ধে অভিযানে নামতে যাচ্ছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
এই অভিযানে পুলিশ ও র্যাবের সহযোগিতা চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে রোববারই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। খুব শিগগিরই সারাদেশে এই অভিযান চালানোর পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন,বাজারে আগে থেকে চালু হওয়া (প্রিঅ্যাকটিভেট) সিম পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী অপারেটরদের সিম প্রতি ৫০ ডলার করে জরিমানা করা হবে।
বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের পর সিম কিনে তা সচল করতে হবে বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আগে থেকে চালু হওয়া সিম বিক্রি করা যাবে না। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে গ্রাহকের পরিচিতি নিশ্চিত হওয়ার পরই সিম চালু করতে হবে অপারেটরদের।
তারানা হালিম জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত খুচরা সিম বিক্রেতা ও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্তদের তথ্য দিতেও মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুন পর্যন্ত মোট ১১ কোটি ৬০ লাখের মত সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র হিসাবে গত এপ্রিল শেষ নাগাদ গ্রাহকের হাতে থাকা মোবাইল সিমের সংখ্যা ছিল ১৩ কোটি ২০ লাখের মত। এ হিসাবে এখনো দেড় কোটির বেশী সিম নিবন্ধিত না হওয়ায় ঘোষনা অনুযায়ী বন্ধ রয়েছে। তবে গ্রাহকরা ইচ্ছা করলেই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করে সেই সিম উত্তোলন করতে পারছেন।

Comments are closed.