কক্সবাজারে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

0

শহিদুল ইসলাম, উখিয়া : কক্সবাজারের ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপনের প্রাক্কালে মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তানভীর আলম খান। মঙ্গলবার ৩০ আগষ্ট সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন প্রশিক্ষণ মাঠে ধ্বংস করে মাদকদ্রব্য। ধ্বংসকৃত মালামালের মূল্য ১৫ কোটি ১ লক্ষ ৮২ হাজার ২৬৭ টাকা বলে বিজিবি জানিয়েছেন। কক্সবাজারস্থ ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি জোয়ানরা চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, বিভিন্ন প্রকার মদ, মদ জাতীয় পানি। এছাড়াও মালিক বিহীন মাদক দ্রব্য জব্দ করেন ধ্বংসকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার ২১১ পিস, মূল্য আনুমানিক ১৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩শ টাকা, ৯ হাজার ৮শ ৭২ বোতল বিভিন্ন প্রকারের বিদেশী মদ, মূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৪৮ লক্ষ ৮ হাজার টাকা, ৬ হাজার ১ ক্যান বিয়ার মূল্য ১৫ লক্ষ ২৫০ টাকা, ৪০ বোতল ফেন্সিডেল মূল্য ১৬ হাজার টাকা, ৫৫৫ লিটার দেশী মদ মূল্য ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, ৩৬ হাজার ৫৬৫ গ্রাম গাঁজা মূল্য ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৪০ টাকা।

উক্ত মাদক দ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার (পিবিজিএমএস), কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আলী হোসেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ, কক্সবাজারস্থ সেক্টর দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন) মেজর মোঃ নাজ আকতার হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক মেজর মাহবুব সাবের, ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ আবুল খায়ের, সহকারী কশিনার কাস্টমস এক্সসাইজ ও ভ্যাট কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত এসএম মেহেদী হাসান। এছাড়াও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বিজিবির প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা গেছে বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে প্রায়শই সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমান, দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্তব্যাপী সুদৃঢ় প্রতিরক্ষা অবস্থান স্থাপন, সমুদ্র পথে অবৈধ অভিভাসন প্রত্যাশী এবং মানব পাচারে শিকার ব্যক্তি ও দালাল গোষ্ঠিকে প্রতিরোধ করা, অন্তমূখী বহিঃমূখী পণ্য সহ সকল প্রকার পণ্য পাচার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। বিশেষত ইয়াবা চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক ঘোষিত জিরো ট্রলারেন্স নীতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে কার্যকরী কর্মকৌশল প্রণয়ন করা হয়। এছাড়াও দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত চোরাচালান বিরোধী টহল কার্যক্রমের পাশাপাশি সময়ে সময়ে চোরাচালান চক্রের অধিক মাত্রায় তৎপরতা সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করে কলাকৌশলগত অবস্থান বিবেচনা করে বিশেষ চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশী পরিচালনা করা হয়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.