চকরিয়া প্রতিনিধি,সিটি নিউজ : জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ দীর্ঘ নয়বছর দেশ শাসন করেছেন। ওই সময় দেশের মধ্যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। মূলত এরশাদের শাসনামল ছিল একটি স্বর্ণযুগ। বর্তমান সরকারও দেশের উন্নয়নে যথেষ্ট কষ্ট করছেন। দেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিনই কাজ করে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমন্বয় করে সারাদেশে জাতীয় পার্টিও বর্তমান সরকারের উন্নয়নে অংশীদার হচ্ছে। একইভাবে মোহাম্মদ ইলিয়াছও কক্সবাজার-১ আসনের এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর চকরিয়া ও পেকুয়ায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চালিয়েছেন। আশা করি অতীতের মতো আগামী নির্বাচনেও তাকে বিপুল ভোট দিয়ে জয়ী করে উন্নয়ন কর্মকা-কে ত্বরাণি¦ত করবেন এখানকার মানুষ।
চকরিয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে শুক্রবার ৩০ মার্চ পার্কের সামনে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসমাউল হুসনার সঞ্চালনায় গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম এবং বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লায়ন কমরুদ্দীন, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া উপজেলার সভাপতি মাহবুব ছিদ্দিকী, জেলা পরিষদ সদস্য ও পৌরসভা মহিলা জাতীয় পার্টির সভাপতি রেহেনা খানম রাহু প্রমূখ।
এর আগে জাতীয় পার্টির এমপি ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বন ও পরিবেশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। সরকারী সফরের অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে তিনি সাফারি পার্কে আসেন। পরে তিনি গাড়ির বহর নিয়ে পার্কের অভ্যন্তরে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা এবং বিভিন্ন বন্যপ্রাণির বেষ্টনী ঘুরে ঘুরে দেখেন। মন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে পার্কের বাইরে ও ভেতরে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে পার্ক কর্তৃপক্ষ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ।
পার্ক পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু নাছের মো. মহসিন চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কক্সবাজার-১ আসনের এমপি মোহাম্মদ ইলিয়াছ, প্রধান বন সংরক্ষক শফিউল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রামের বন সংরক্ষক জগলুল হোসেন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক, বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম গোলাম মওলা, পার্কের তত্ত্বাবধায়ক কে এম মোর্শেদুল আলম, কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী প্রমূখ।
