নিজস্ব প্রতিবেদক:: চট্টগ্রামের সানশাইন স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী তাসফিয়া নিহতের ঘটনা এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি। সোশ্যাল মিডিয়াসহ প্রায় সব মিডিয়াতেই এখন আলোচিত খবর তাসফিয়া-আদনানের কিশোর বয়সের প্রেম কাহিনীর করুণ পরিণতি। পতেঙ্গার নেভালে তাসফিয়ার লাশ পাওয়ার পর থেকেই তার পরিবার সন্দেহ করছে তাসফিয়ার প্রেমিক আদনানকে। একই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র আদনান পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও এখনো এ আলোচিত ঘটনার তেমন কোন ক্লু বের করতে পারেনি পুলিশ। এখনো তারা বিভিন্ন রহস্যের বেড়াজালে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে কয়েকটি বিষয়ের খোলাসা হলে সহজেই এ মামলায় আশার আলো দেখা যেতে পারে। বেরিয়ে আসতে পারে এ ঘটনার মাস্টার মাইন্ডের নাম।
মামলা বিশ্লেষণ : তাসফিয়ার লাশ পাওয়ার এক দিন পর বৃহস্পতিবার (৩ মে) তার বাবা মোহাম্মদ আমিন বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় আদনানসহ মোট ছয়জনকে আসামী করা হয়েছে। এরা হলেন সোহাইল (১৬), শওকত মিরাজ (১৬), আসিফ মিজান (২৩), ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৪), ফিরোজ (৩০) । মামলার এজাহারে এদের মধ্যে আদনান, ফিরোজ ও ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামের ঠিকানা দেয়া হযেছে। বাকিদের ঠিকানা অজ্ঞাত। মামলার আসামীরা সবাই আদনানের বন্ধু ও স্থানীয় বড় ভাই এবং ফেসবুকে রিচ কিডস গ্রুপ নামক গ্রুপের সদস্য।
সূত্র জানায়, আদনানকে যখন তাসফিয়ার বাবা তাদের ঘরে আটকে রাখে তখন গ্রুপের ছেলেদের ফোন করে ডেকে আনে আদনান। অন্য ছেলেদের সাথে এই পাঁচজনও ছিল সেদিন। তাদের মধ্যে ফিরোজ ও ইকরাম আদনানের বড় ভাই। এই দুইজন সেদিন তাসফিয়ার বাবাকে ভয়ভীতিও দেখায়। তাই পুলিশ আশা করছে, ওই গ্রুপের সদস্য এবং মামলার আসামি বাকি তিনজন এবং ‘বড়’ দুই ভাইকে আটক করতে পারলেই হত্যার রহস্য উম্মোচন করা সহজ হবে।
