শরণার্থীদের ঠেকাতে সীমান্তে বেড়া

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শরণার্থীদের প্রবেশ ঠেকাতে হাঙ্গেরির মতোই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে মেসিডোনিয়া। অর্থাৎ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মান করতে যাচ্ছে দেশটি। বৃহস্পতিবার মেসিডোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোলা পপস্কি এ ঘোষণা দিয়েছেন।

অব্যাহত শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় মধ্য ইউরোপের চারটি দেশের নেতারা শুক্রবার যখন প্রাগে বৈঠক করতে যাচ্ছেন, ঠিক তার আগেই এ ঘোষণা দিল মেসিডোনিয়া।

সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার শরণার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করছে। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছিল, গত এক বছরে ইউরোপে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশ করেছে। তবে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরো ৪ লাখ শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশ করবে।

গ্রিস হয়ে গ্রিস থেকে মেসিডোনিয়া সীমান্ত পার হয়ে এসব শরণার্থী সার্বিয়া ও হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করছে। পরে তারা সেখান থেকে অস্ট্রিয়া ও জার্মানিসহ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে যাওয়ার চেষ্টা করছে। শরণার্থীদের প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে ১৭৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু করেছে হাঙ্গেরি।সংকট মোকাবেলায় গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য ২৮টি দেশের মধ্যে প্রতি বছর ১ লাখ ২০ হাজার শরণার্থী ভাগ করে নেয়ার প্রস্তাব করেছে। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক কোটা ব্যবস্থারও ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও স্লোভাকিয়া এই কোটা পদ্ধতির বিরোধিতা করে আসছে।

হাঙ্গেরির বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফিগিয়েলোকে পপস্কি বলেন, ‘ অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেওয়া ঠেকাতে আমাদেরও প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রয়োজন…হয় সেনাবাহিনী অথবা বেড়া অথবা উভয়ই।’

তিনি জানান, সার্বিয়া ও হাঙ্গেরিতে যাওয়ার জন্য প্রতিদিনি তিন থেকে চার হাজার শরণার্থীকে প্রবেশ করতে দিতে বাধ্য হচ্ছে তার দেশ।

পপস্কি বলেন, ‘এ বিষয়টি আমরা কিভাবে সামাল দিব সে ব্যাপারে ইউরোপীয় ঐক্যমত নেই।’

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, শুক্রবার গ্রিস হয়ে প্রায় ৭ হাজার ৬শ শরণার্থী মেসিডোনিয়ায় প্রবেশ করেছেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.