সিটি নিউজঃ অটিজম সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা চট্টগ্রাম সরকারি বিএড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচ দিনব্যাপী এ কর্মশালায় রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ডিজএ্যাবল শিশুর অভিভাবকগণ অংশ নেন।
সরকারি বিএড কলেজের অধ্যক্ষ দিলরুবা আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আইয়ুব ভূঁইয়া। কোর্স সমন্বয়কারী মো. আহসান উল্ল্যাহ, মো. আব্দুল খালেক ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ বক্তৃতা করেন।
বক্তৃারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শক্রমে দেশের অটিজম ও এনডিডি শিশুদের আত্মনির্ভরশীল হওয়া এবং তাদেরকে শিক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে একটি জাতীয় অটিজম একাডেমি নির্মাণের লক্ষ্যে ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম এন্ড নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজএ্যাবিলিটিজ (ঘঅঅঘউ) শীর্ষক প্রকল্পটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বাংলাদেশের অটিজম শিশুদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কণ্যা সায়েমা ওয়াজেদ কাজ করে বাংলাদেশের সম্মান বিশ্বে আরো উজ্জ্বল করেছেন। অটিজম শিশুর অভিভাবকদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে হবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, তারা যেন অধিকার বঞ্চিত না হয়, তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে এবং বুঝতে হবে তারা কি চায়।
ডিজএ্যাবল শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্যে সরকার শিশুদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে অটিজম শিশুদের নিয়ে কাজ করছে, আমরা কেন পারবো না? আমাদেরও পারতে হবে। আমরা এ কাজের অংশীদার হবো।
এ প্রশিক্ষণ সরকারের প্রচারণামূলক কাজ। ডিজএ্যাবল শিশুরাও সমাজের উন্নয়ন ও অর্থনীতির অংশীদার হতে পারে যদি তাদেরকে যুগোপযোগী শিক্ষা দেওয়া যায়। দেশের ১০% লোক কোন না কোন ভাবে অটিজমে আক্রান্ত। এ বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই অটিজম শিশুদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
