শিশুকে যেভাবে পড়াবেন

0

সিটিনিউজবিডি :  শিশু পড়ার চেয়ে খেলতেই বেশি ভালোবাসে। চার বয়সে শিশুকে ধরে-বেঁধে নিয়ম করে পড়তে বসালে তা স্বভাবতই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চলে যায়। কাজেই শিশুর আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরুর বেশ অনেকদিন আগে থেকেই তাকে একটু একটু করে পড়াশোনার আবহের সাথে পরিচিত করে তুলতে হবে। খেলার ফাঁকে ফাঁকে শিশুকে বিভিন্ন ছড়া শোনানোর মাধ্যমে তাকে বিষয়গুলোর প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

আগ্রহী করে তুলুন
বোঝার চেষ্টা করুন সে কোন দিকে মনযোন দেয়। শিশুর মাঝে যদি গল্প শোনার ঝোঁক থাকে তাহলে তাকে পাশে নিয়ে কোনো একটি বই থেকে শিশুকে মজার মজার গল্প পড়ে শোনান। এ ক্ষেত্রে গল্পগুলো যদি শিশুর ভালো লাগে তাহলে সে নিজেও গল্প পড়ার জন্য কীভাবে বানান করে পড়তে হয় তা শিখতে আগ্রহী হবে।

পড়ার পরিবেশ তৈরি করে দিন
আপনি নিজেই শিশুর পড়ালেখার বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন কিনা খেয়াল করুন। শিশুর লেখাপড়া শেখার জন্য পরিবেশও অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি তাকে পড়তে বলে নিজে টিভি দেখতে বসে যাবেন এমনটা যেন কখনোই না হয়, বরং শিশুর পাশে থেকে তাকে বুঝান যে, পড়ালেখার এই সময়টাকে আপনিও গুরুত্বের সঙ্গেই নিচ্ছেন এবং তার পাশেই আছেন।

বর্ণমালা তৈরি করতে শেখান
সাধারণত অধিকাংশ শিশুর ক্ষেত্রেই পড়তে শেখার প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত এগোয় ঠিক ততটা দ্রুততার সাথে লেখা শেখার বিষয়টি এগোয় না। এ ক্ষেত্রে অনেক বাবা-মা’ই একেবারে প্রথম দিন থেকেই শিশুর হাতে চক বা পেন্সিল তুলে দিয়ে তাকে লেখা শেখানোর চেষ্টা করেন। তবে চক বা পেন্সিল হাতে দেওয়ার আগে শিশুকে যদি বিভিন্ন খেলার সামগ্রী দিয়ে বা ছোট ছোট খেলনা দিয়ে বর্ণমালা তৈরি করতে শেখান তবে তার প্রাথমিক ভিত্তিটা সহজেই তৈরি হয়ে যাবে।

শিশু যেসব বিষয় পড়ছে সেগুলো যেন সে বুঝে বুঝে পড়তে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। আরেকটা বিষয়, একটি স্কুলে সবাই প্রথম হয় না। কাজেই আপনার শিশুকে প্রথম হতেই হবে এমন ধরনের চাপ দিতে যাবেন না।বরং শিশুকে এভাবে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন যে, সে যদি ঠিকমতো দিনের পড়া দিনেই শেষ করতে পারে তাহলে তার ফলাফল অবশ্যই অন্য অনেকের চেয়ে ভালো হবে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.