আফগানদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ২৬২ রান

0

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সাউদাম্পটনে স্পিন-বিষে বাংলাদেশকে কাবু করতে চেয়েছিল আফগানিস্তান। সেই লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিং নেন আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। তার সেই লক্ষ্য আংশিক পূরণ হয়েছে। বাংলাদেশকে রানের পাহাড় গড়তে দেয়নি আফগান স্পিনাররা। আবার টাইগাররাও পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেনি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে তারা।

ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের শিকার হয় বাংলাদেশ। একবার নয় দুইবার। প্রথমবার আউট হয়ে যান লিটন দাস। দ্বিতীয়বার অবশ্য রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান সাকিব আল হাসান।

মুজিব উর রহমানের করা ইনিংসের পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে লিটন দাসের (১৬) একটি ক্যাচ ধরেন হাশমতুল্লাহ শাহিদি। এক্সট্রা কাভার অঞ্চলে ওই ক্যাচটি নিয়ে নিঃসন্দেহ হতে তৃতীয় আম্পায়ারের শরণাপন্ন হন মাঠের আম্পায়ার। যদিও তারা আউট দিয়েছিলেন। রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায় বল বলটি কিছুটা ঘাসে ছুঁয়ে ফিল্ডারের হাতে উঠেছে। কিন্তু থার্ড আম্পায়ার আলিম দার এটিকে আউট ঘোষণা করেন।

এরপর তামিম ইকবালের সাথে দলের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান। দেশসেরা এই দুই ব্যাটসম্যানে ভর দিয়ে ভালোই এগুচ্ছিল। কিন্তু ১৫তম ওভারে মোহাম্মদ নবীর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন তামিমও। ৪টি চারে সাজিয়ে এদিন ৩৬ রান করেন তামিম। তার আগে সাকিবের সাথে ৫১ রানের জুটি গড়েন তিনি।

তার পরের ওভারেই আরেকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের শিকার হয় বাংলাদেশ। সাকিবের বিপক্ষে রশিদ খানের একটি এলবিডাব্লুর আবেদনে তর্জনী উঁচু করে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে সেই যাত্রা বেঁচে যান সাকিব।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে মুশফিকুর রহীমের ব্যাট থেকে। সাকিবের সাথে ৬১ রানে জুটি, মাহমুদউল্লাহর সাথে ৫৬ রানের জুটি ও মোসাদ্দেক হোসেনের সাথে ৪৪ রানে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মুশফিক। একটি ছক্কা ও ৪টি চারে সাজিয়ে ৮৭ বলে ৮৩ রান করেন তিনি।

হাফ সেঞ্চুরি করেন সাকিবও। তবে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে আর বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। মুজিব উর রহমানের এলবিডাব্লুর ফাঁদে পড়েন। এদিন ৫১ রান করেন সাকিব। তার কিছুক্ষণ পর সৌম্য সরকারকেও (৩) এলবিডাব্লুর ফাঁদে ফেলেন মুজিব।

এদিন প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বকাপে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। সেই সাথে ওয়ার্নারের কাছ থেকে আবার আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের মুকুট ছিনিয়ে নেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ করেন ২৭ রান। তবে শেষ দিকে বাংলাদেশের রানে গতি বাড়ে মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে। ৪টি চারে সাজিয়ে ২৪ বলে ৩৫ রান করেন তিনি।

আফগানিস্তানের হয়ে ৩৯ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন মুজিব উর রহমান। গুলবাদিন নাইব নিয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ নবী ও দৌলত জাদরান।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.