সিটিনিউজবিডি : খালাসের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে আটক কন্টেইনারে পাওয়া ভারতীয় মুদ্রাগুলো জাল। এতে থাকা ১৬৫টি কার্টনের মধ্যে চারটি খুলে সবগুলোতেই এক হাজার ও পাঁচশ রুপির এ মুদ্রাগুলো পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, বাকি কার্টনগুলোতেও জাল মুদ্রা রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান।
তিনি বলেন, মুদ্রাগুলো গণনার কাজ চলছে। গণনা শেষ হলেই এর মোট পরিমাণসহ বিস্তারিত জানানো যাবে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে একটি চালানে চারটি কন্টেইনার আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। মনরুভিয়ার পতাকাবাহী ‘প্রোসপা’ নামের একটি জাহাজে করে এই চালানটি আসে। দুবাই থেকে শাহেদুজ্জামান নামে একজন এটি পাঠান। বিবরণে লেখা ছিল, এতে গৃহস্থালীর পণ্য রয়েছে। কিন্তু রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে সাতটার দিকে খালাস নেওয়ার আগে কাস্টমসের লোকজন কন্টেইনারগুলোর কায়িক পরীক্ষা শুরু করেন। এতেই ধরা পড়ে মুদ্রাগুলো।
ড. মঈনুল খান আরও জানান, জাল মুদ্রা পাওয়া যাওয়ায় বাকি তিন কন্টেইনারের খালাস প্রক্রিয়াও স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার দিনগত রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের জল, স্থল ও আকাশপথকে অবৈধভাবে ব্যবহার করা যাবে না। এজন্য আমরা যারা সংশ্লিষ্ট রয়েছি, তারা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় তিনি বলেন, রোববার ভারতীয় মুদ্রার যে চালান আটক করা হয়েছে, সমুদ্রপথে এটাই সবচেয়ে বড় চালান।
