রাঙ্গুনীয়া পদুয়ায় মাদক সন্ত্রাসীদের নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে আকুতি
রাঙ্গুনীয়া, সিটি নিউজ : চট্টগ্রাম রাঙ্গুনীয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের কতিপয় ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রবাজ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন তারেক উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তি।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে করা এক আবেদনে তিনি বলেছেন, বিগত দুই বছর যাবত রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়ার ৯ নং ওয়ার্ড নাপিত পুকুরিয়া ও দুধ পুকুরিয়া গ্রামে অবাধে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসা এবং অস্ত্র ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে একটি সন্ত্রাসী চক্র।
এসব সন্ত্রাসীদের ইন্দন দিচ্ছে ইউপি মেম্বারসহ একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি। তিনি বলেন, দিদার নামে একজন অস্ত্রধারী কুখ্যাত সন্ত্রাসী এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংগঠিত করেন। এই দিদারের নামে বান্দরবার ও রাঙ্গুনিয়া থানায় রয়েছে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও ডাকাতিসহ হাফ ডজনের অধিক মামলা। কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে এতগুলো মামলার আসামী হওয়া সত্ত্বেও সে থেকে যাচ্ছে প্রশাসনের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। সন্ত্রাসী দিদার পদুয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের দুধ পুকুরিয়া গ্রামের মৃত ফুল মিয়ার ছেলে। তার মাতা নুর বানু (৫০) একজন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শীর্ষ মহিলা ইয়াবা বিক্রেতা এবং দিদারের বোন জ্যোস্না আক্তার পেপসি (৩০) অসামাজিক কাজ ও ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। এই জ্যোস্না বেগম পেপসির হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন রাঙ্গুনিয়া থানার শিলক তদন্ত কেন্দ্রের দুই পুলিশ সদস্য। গত ১ বছর আগে একটি মারামারি মামলাসহ একাধিক মামলায় তাকে গ্রেফতার করে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় টাকা খরচের প্রভাবে অল্পদিনে জামিনে চলে আসে।
আবেদনে তিনি বলেন, এই পরিবারকে ব্যবহার করে বিভন্ন অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে এলাকার ইউপি সদস্য ফারুক তালুকদার। তাদের এসব অপকর্ম সমাজ এবং রাষ্ট্রদ্রোহী পর্যায়ে পড়ে। এই অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে যাচ্ছেন ফুল মিয়ার পরিবার ও উক্ত ইউপি সদস্য। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে কারনে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে মামলায় জড়ানো হয়েছে ঐ সময়ে উক্ত পরীক্ষার্থী ছিল পরীক্ষা কক্ষে। তাদের এই হয়রানীর রোসানলে পড়েছেন সমাজের সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা। মিথ্যা মামলা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রাণ নাশের হুমকি দ্বারা আতংকিত আছেন এলাকার সাধারন জনগণ।
তারেক উদ্দিন এসব সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ইয়াবা, মাদক ও অস্ত্রবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে তার আবেদনে এলাকার প্রায় ৫০ জন ব্যক্তির স্বাক্ষর সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ করেছেন। র্যাব চট্টগ্রাম, পুলিশ সুপার ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আবেদনের অনুলিপি দিয়েছেন।
