নগরীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চায়না পাওয়ারের আগ্রহ 

0

সিটি নিউজঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে চায়না পাওয়ার কোম্পানীর দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে টাইগারপাস সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতকালে চায়না পাওয়ার কোম্পানীর ম্যানেজার হ্যানকুন পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী উৎপাদন কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

এই কোম্পানীর দ্বারা পরিচালিত চট্টগ্রামে বাশঁখালী,চট্টগ্রামের বাইরে গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো সম্পর্কে সিটি মেয়রকে সম্যখ ধারণা দেন মিঃ হ্যানকুন।

এ প্রসঙ্গে তিনি নগরীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী থেকে উৎপাদনে আগ্রহ প্রকাশ করে সিটি মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন। প্রতিনিধিদলের নেতা হ্যানকুন বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ্ ও জ্বালানী উৎপাদনে চসিক থেকে ১০ একর জায়গা ও প্রতিদিন ১৫শত মেট্রিক টন বর্জ্য কামনা করেন। এই বর্জ্য থেকে প্রতিদিন ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে বলে প্রনিনিধিদলের নেতা বৈঠকে উল্লেখ করেন। এই প্রকল্পের জন্য তারা ১৮০ মিলিয়ন টাকা বিনিয়োগ করবে বলে প্রতিনিধিদলের নেতা তার উপস্থাপনায় ব্যক্ত করেন।

চায়না পাওয়ার কোম্পানীর প্রস্তাবকে একটি সময়োপযোগী প্রস্তাব উল্লেখ করে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন দ্রুত সময়ের মধ্যে চায়না পাওয়ার কোম্পানীকে চুড়ান্ত প্রস্তাব প্রদানের আহবান জানান। এই প্রস্তাবের পর সুবিধাজনক সময়ে দু”পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি অনুষ্ঠিত হবে বলে বৈঠকে মেয়র জানান । এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র নগরীর হালিশহর আনন্দবাজার এলাকায় চসিকের বর্জ্য ডাম্পিং -এর ১৪ একর জায়গার কথা উল্লেখ করে বলেন এখানেই এই প্রকল্প প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব । তাই প্রতিনিধিদলকে জায়গা ও বর্জ্য প্রদানে আশ্বস্থ করলেন সিটি মেয়র ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা,প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, সচিব মোহাম্মদ আবু শাহেদ চৌধুরী ,প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রধান শ্ক্ষিা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া , প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।এই সময় সিটি মেয়র বলেন,পরিবেশসম্মত নগরী গড়তে চায় চসিক। কিন্তু দিনে দিনে ভাগাড়ে জমছে বর্জ্যের পাহাড়। ৎ

এখনই আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় না গেলে সংকট আরও বাড়বে। প্রতিদিন এই নগরীতে গৃহস্থালি বর্জ্য উৎপাদন হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২৫০০মেট্রিক টন। কোনো ধরনের শোধন ছাড়াই দিনের পর দিন খোলা আকাশের নিচে বাড়ছে বর্জ্যের স্তূপ। এতে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে নগরীর ভেতরেও। তবে পুরো প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন হলে পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে বলে মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.