চট্টগ্রামে নেমেই মোছলেম উদ্দিনের জন্য ভোট চাইলেন বিপ্লব বড়ুয়া
সিটি নিউজঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে নব নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদকের পদ পাওয়ার পরে প্রথম নেমেই চট্টগ্রাম -৮ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিনের জন্য ভোট চাইলেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। সাথে তিনি নৌকার প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
আজ বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে আয়োজিত গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহবান জানান।
নগরের পুরাতন রেল স্টেশনে গণ-সংবর্ধনার জবাবে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন; আমি অভিভূত, আমি আবেগাপ্লুত। নেতাকর্মীদের ভালোবাসা পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। আমি চট্টগ্রামের সন্তান। পদ-পদবী আমার কাছে মূখ্য নয়, আমি দলীয় কর্মী হিসেবে, আপনাদের ভাই হিসেবে পাশে থাকতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা চাই।
ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে বরণ করে নিতে দুপুর একটার মধ্যে পুরাতন রেল স্টেশন এলাকায় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এক ঘণ্টার মধ্যেই লোকারণ্য হয়ে পুরো এলাকা। ট্রেনযোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে নামার পর নেতাকর্মীদের শ্লোগানে মুখরিত হয় পুরো রেল স্টেশন চত্বর।
সেখানে বিপ্লব বড়ুয়ার গণসংবর্ধনার জবাবে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দপ্তর সম্পাদক পদ দিয়ে চট্টগ্রামকে মূল্যায়ন করেছেন। চট্টগ্রাম থেকে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিয়েছেন। নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই।
তিনি বলেন, আমার প্রথম পেশা ছিল সাংবাদিকতা। পরে আমি লন্ডনে গিয়েছি। আমার সঙ্গে অনেকে লন্ডনে গিয়েছেন। তারা সেখানের নাগরিকত্ব নিয়ে থেকে গেছেন। আমি যে সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে লন্ডনে গিয়েছিলাম সেই পাসপোর্ট নিয়ে ফেরত এসেছি।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে গণ-সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য দেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী।
এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ রশিদ, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, সাতকানিয়া পৌর মেয়র ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জোবায়ের, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরশেদুল আলম বাচ্চুসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
