সিটিনিউজবিডি : ৩০ অক্টোবর রাজধানী বুখারেস্টে অবস্থিত ওই নাইট ক্লাবটিতে একটি কনসার্টে আতশবাজির প্রদর্শনি চলার সময় সেখানে আগুন লেগে যায় এবং ৩২ জন নিহত এবং দুইশ জনের মতো আহত হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রুমানিয়ার হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। বিক্ষোভকারীরা দুর্নীতি ও দুর্বল সুরক্ষা ব্যবস্থার অভিযোগ তুলে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে।
আট দিন আগে রুমানিয়ার একটি নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে আহত ছয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে ওই ঘটনায় ৩৮ জনের প্রাণ গেল।
৪ নভেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা দেন দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর পন্টা। বুখারেস্টের মেয়র ক্রিস্টিয়ান পপেসকু পিয়েডন এবং রুমানিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাবরিয়েল অপরেয়াও ওই দিন পদত্যাগ করেন। পরদিন শিক্ষামন্ত্রী সরিন কিমপিয়ানুকে অন্তবর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
কিমপিয়ানু সাংবাদিকদের বলেন, অগ্নিকাণ্ডে আহত ১০৭ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ৪৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার দিন ক্লাবটিতে অন্তত ৪০০ জন উপস্থিত ছিল। ক্লাবটি থেকে বের হবার একটি মাত্র রাস্তা থাকায় হতাহতের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে।
এদিকে বেআইনীভাবে বুখারেস্টের ওই নাইটক্লাবটিকে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেয়ার অভিযোগে মেয়র পিয়েডনকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
কমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, “যেসব প্রমাণ পত্র আমরা পেয়েছি তাতে দেখা যাচ্ছে অগ্নিনির্বাপক অধিদপ্তরের অনুমতি না থাকা শর্তেও পিয়েডন ক্লাবটিকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছেন।”
ক্লাবটির তিনজন মালিককেও ২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
