শিশুকে ধর্ষণের পর খুন, ধর্ষণকারী গ্রেপ্তার

0

চট্টগ্রাম অফিস : নগরীর ইপিজেড থানার নারিকেল তলার তানিয়া (৮) নামে প্রথম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে বস্তায় ভরে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এঘটনার মূল অভিযুক্ত আমির হোসেনকে (১৮) নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, গত ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে নানীর জন্য দোকান থেকে পান আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয় তানিয়া (৮)। এরপর তার খোঁজে এলাকায় মাইকিংও করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। রাতভর তার খোঁজ না মিললেও ভোরে পাশের হক সাহেবের পুকুরে বস্তাভর্তি একটি বস্তু দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পাড়ে এনে খুললে বস্তার ভেতরে নিখোঁজ তানিয়ার লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের পর আমির ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তীতে সে জানায়, ধর্ষণের সময় চিৎকার করবে এ আশঙ্কায় সে শিশুটির মুখ চেপে ধরে। এ অবস্থায় একসময় নিথর হয়ে পড়ে শিশু তানিয়ার ছোট্ট দেহ। এভাবে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্যই বস্তায় ভরে পুকুরে ফেল দেয় সে।

তানিয়ার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হলেও সে নগরীর ইপিজেড থানার নারিকেল তলা এলাকায় মামার বাসায় থেকে পড়ালেখা করতো। তানিয়া নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া গ্রামের হাফুল মিয়ার প্রথম কন্যা। সে নারিকেল তলা এলাকায় মামা ইলেকট্রিক মিস্ত্রি সুমন মিয়ার কাছে থাকে। মামা সুমন মিয়া তানিয়াকে স্থানীয় মোহাম্মদীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রণীতে পড়তো

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.