কর্মজীবি মায়ের শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করছে কারিতাস

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : কারিতাস মমতা প্রকল্পের উদ্যোগে বাকলিয়া তুলাতলী ডে-কেয়ার সেন্টার প্রাঙ্গণে শিশু সুরক্ষা, যত্ন ও উন্নয়ন বিষয়ক এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীন ১৮ নং ওয়ার্ড এলাকার বসবাসরত কর্মজীবি মায়েদের শিশুদের সুরক্ষা ও উন্নয়নে কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও সংস্থার ভূমিকা শীর্ষক এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার দিনব্যাপী কর্মশালায় চসিকের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মিসেস ফারজানা পারভীন, বাকলিয়া থাকার এসআই মোহাম্মদ রাসেল, স্থানীয় গার্মেন্টস ম্যানেজার,কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক দলের সদস্যসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মমতা প্রকল্পের কর্মসূচি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভাটি সঞ্চালনা করেন মৌরী পাড়ৈ।

সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য এবং কর্মশালার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন কর্মসূচি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম চৌধুরী। এরপর মমতা প্রকল্পের ৪টি ডে-কেয়ার সেন্টারের বর্তমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয় প্রতিবেদন পাঠ করেন ম্যাটেরিয়াল ডেভেলপমেন্ট মেন্টর জ্ঞানজ্যোতি চাকমা।

কারিতাস ডে-কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে কর্মজীবি মায়েদের শিশু সুরক্ষা ও বিকাশে যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে তার চাহিদার বিপরীতে সীমিত হলেও সাফল্য শতভাগ। তিনি আরও বলেন, আমরা জনপ্রতিনিধি হয়েও অনেক সময় নানা প্রতিকূলতার কারণে জনগণের অনেক সমস্যারই সমাধান করতে পারি না, কারিতাসের এই ডে-কেয়ার সেন্টারের পরিচালনার মাধ্যমে এ জনসেবামূলক কাজটি সত্যই প্রশংসনীয় এবং এ বিষয়ে সংগঠিত ও সমন্বিত উদ্যোগ খুবই জরুরী। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণেও পার্থক্যের উর্ধ্বে উঠে কারিতাসে এ মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন এরকম একটি প্রকল্প খুবই সময়য়োপযোগী। বাকলিয়া থানার এসআই মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে আমি স্বচ্ছল ব্যক্তিদের শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টারের কথা জানতাম, আজকের এ কর্মশালার মাধ্যমে কর্মজীবি অসহায় ও নিতান্তই দরিদ্র মহিলাদের শিশুদের সুরক্ষা ও বিকাশ কারিতাসের ডে-কেয়ার সেন্টার কর্মসূচির সম্পর্কে জানতে পেরে আমি আবেগে আপ্লুত।

অন্যান্য বক্তার মধ্যে দি নীড এ্যাপারেলসের ম্যানেজার জয়নাল আবেদিন খান, প্রভাতি এপি আরসির ম্যানেজার মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, এসকেআর এট্যায়ার লি. এর ম্যানেজার মোঃ মাইনুদ্দিন শাকিল বলেন, কারিতাস মমতা প্রকল্পের ডে-কেয়ার সেন্টারের পরিচালনা একটি সময়োপযোগী ও মানবিক কাজ তাঁরা আরও বলেন, কারিতাসের এ কাজের ফলে গার্মেন্টস মালিকরাই মূলত লাভবান হচ্ছে। তাঁরা আশ^াস প্রদান করেন যে, আমরা আমাদের কারখানাতে কর্মরত কর্মজীবি মহিলাদের ভর্তি ফি এবং মাসিক বেতন প্রদান করা যাবে এবং মমতা প্রকল্পের যেকোন কার্যক্রমে সার্বিক সহায়াত প্রদান করা হবে।

উপস্থিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ কারিতাস মমতা প্রকল্পের ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ এবং সংগঠনের সহায়তা ও পরামর্শের ভিত্তিতে কর্মজীবি শিশুদের সুরক্ষা ও উন্নয়নের বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.