আন্তর্জাতিক : প্রায় নব্বই বছর পর কিউবা সফরে যাচ্ছেন মার্কিন কোনো প্রেসিডেন্ট।হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, মার্চের ২১ ও ২২ তারিখ কিউবা সফর করবেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
স্নায়ু যুদ্ধের সময়ে সৃষ্ট বৈরিতা নিয়ে প্রায় অর্ধশতক কাটিয়ে, মাত্র গত জুলাইতেই দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
বলা হচ্ছে, এটি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তার স্ত্রীর বৃহত্তর লাতিন আমেরিকা সফরেরই অংশ। কিউবার পর তারা দু’দিনের জন্য আর্জেন্টিনায় যাবেন।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা দলের কর্মকর্তা বেঞ্জামিন রোডস বলছেন, দু’দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা এখন আরও বেগবান হবে।
রাষ্ট্রীয় এ সফরে বারাক ওবামা কিউবার বিপ্লবী, সুশীল সমাজ এবং বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানানো হয়েছে। এদিকে এ সফরের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে কিউবা।
কর্মকর্তারা বলেছেন, বারাক ওবামাকে সর্বোচ্চ সম্মান ও আতিথেয়তা প্রদর্শন করা হবে। এমনকি প্রেসিডেন্ট ওবামা যে সফরের সময় কিউবার মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছেন সে কৌতূহল মেটাতেও হাভানা প্রস্তুত বলে জানালেন কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোসেফিনা ভিদাল।
তিনি বলেন, এ সফরে কিউবার মানবাধিকার ও অন্যান্য সব বিষয়েই যুক্তরাষ্ট্র একটি স্বচ্ছ ধারণা পাবে। কারণ দু’দেশের মধ্যে নতুন সম্পর্কের প্রধান বিষয়টিই হলো পরস্পরের ভিন্নতাগুলোকে সম্মান জানানো।
তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ খবরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও বিরোধিতা এসেছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকেই।রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী টেড ক্রুজ বারাক ওবামার এ সফরকে অত্যন্ত লজ্জাজনক এক পদক্ষেপ বলে সমালোচনা করেছেন।
