পূবালী ব্যাংকের টাকা লুটের মূল হোতা চালক: নিরাপত্তারক্ষী’র জবানবন্দি

0

কামরুল ইসলাম দুলু: মাইক্রো চালক বিজয় কুমার দাসের পরিকল্পনায় পূবালী ব্যাংকের অর্ধ কোটি টাকা হরিলুট। সোমবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ইয়াছমিনের আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এসব কথা জানান পূবালী ব্যাংক সিডিএ কর্পোরেট শাখার সিকিউরিটি আর্ম গার্ড তাঞ্জু রহমান।

তাঞ্জু আরো বলেন, টাকা লুটের পরিকল্পনা বিষয়ে সচরাচর এরকমভাবে অপ্রয়োজনে টাকা আনা নেওয়া করা হয় না। গাড়ি চালক বিজয় ক্যাশ অফিসার রাজিবুর রহমানসহ অন্যদের টাকাগুলো সীতাকুণ্ডে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। অন্যরা এর কারণ জানতে চাইলে বিজয় সবাইকে বলেন, এতে সবারই লাভ হবে। যা করার সব তিনিই করবেন। কিন্তু লাভ হবে সবার। ফলে টাকার লোভে অন্ধ হয়ে তারা আগপিছ না ভেবে বিজয়কে সহযোগিতা করেন। সে আরও বলে যে, তাকে সহযোগিতা করলে প্রত্যেক সিকিউরিটি গার্ডকে ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো বিজয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মো. কামাল উদ্দিন জানান, টাকাগুলো আনার আগেই সীতাকুণ্ডের কিছু লোকজন ঠিক করে রাখেন গাড়িচালক বিজয়। এরপর পরিকল্পনা করা হয় কিভাবে সেই লোকগুলো টাকাটা সরিয়ে নেবে। পরিকল্পনা মতোই তারা সীতাকুণ্ডে এসে গাড়ি থামানোর পর বিজয় গাড়ির পেছন দিকের লক খুলে রাখেন।

ক্যাশ অফিসার রাজিবুর রহমান সীতাকুণ্ড শাখায় যাবার পর দুই সিকিউরিটি গার্ডও টয়লেটে যাবার নাম করে তার পিছু পিছু শাখায় চলে গিয়ে সময় কাটান। অন্যজন তাঞ্জু রহমানকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি এসে বলেন, তার টাকা মাটিতে পড়ে গেছে। এসময় তিনি গাড়ি থেকে দূরে গিয়ে মাটি থেকে টাকা কুড়িয়ে নিতে থাকেন। এই ফাঁকে বিজয়ের ভাড়া করা লোকজন অর্ধ কোটি টাকার বস্তাটি গাড়ি থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যায়। তবে স্বীকারোক্তি প্রদানকালে তাঞ্জু টাকা সরিয়ে নেওয়া ব্যক্তিটির শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দিলেও তার কোন নাম ঠিকানা জানাতে পারেননি।
……………….জেএম/ সিটিনিউজবিডি

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.