নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোর হিমেল দাশ সুপেন হত্যা মামলায় রায় ঘোষণার সময় পিছিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এ রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
চট্টগ্রামের দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এ নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করে তা জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এ মামলায় অভিযুক্ত ছয় আসামি হলেন- মাহমুদুল ইসলাম, সুনীল দাশ, মিজুনার রহমান চৌধুরী, মো. হোসেন প্রকাশ সাগর, নজরুল ইসলাম প্রকাশ লাল মিয়া, মো. সেলিম। এদের মধ্যে কিশোর হিমেলের দূর সম্পর্কের চাচা সুনীল দাশসহ চারজন কারাগারে আছেন। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ৮ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার চারদিন আগে নিখোঁজ হয় চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল দাশ সুপন। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মাহমুদুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই নজরুল ইসলামের সঙ্গে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়ে অপহৃত হন হিমেল।
১৩ মে হিমেলের মা পাপিয়া সেন বাদি হয়ে ডবলমুরিং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে যা মামলায় রূপান্তর হয়। ১৪ মে বান্দরবানের দুর্গম নাগাঝিরি পাহাড় থেকে নগরীর ডবলমুরিং থানা পুলিশ হিমেলের লাশ উদ্ধার করে।
ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া দুই আসামি মাহমুদুল ইসলাম ও তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দি দিয়ে জানান, হিমেলের চাচা সুনীল দাশের পরিকল্পনায় তাকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে। সম্পত্তির লোভে সুনীল দাশ এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল।
