চট্টগ্রাম: জনস্বার্থে খাল ও নালার ওপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকালে কেউই রেহাই পাবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
বৃহস্পতিবার সকালে মহেশখালে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মহেশখালের ফইল্যাতলী থেকে বড়পুল পর্যন্ত অংশের মাটি উত্তোলন ও অপসারণে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিলকিস এন্টারপ্রাইজ।
মেয়র বলেন, অবৈধ দখল ছেড়ে দিতে হবে। অন্যথায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ হবে। একশ্রেণির নাগরিক স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় স্বজ্ঞানে ও অজ্ঞানে খাল ও নালায় যাবতীয় বর্জ্য ফেলছে। এর ফলে খাল ও নালা প্রতিনিয়ত ভরাট হচ্ছে। এছাড়া অবৈধভাবে দখল করে ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট এবং স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে অনেকে। ফলে স্বাভাবিক পানি চলাচলে বাধার কারণে জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য খাল ও নালা-নর্দমায় আবর্জনা ফেলার মতো কাজ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, পরিবেশ ও নাগরিক জীবনে স্বস্তির লক্ষ্যে রাতে আবর্জনা অপসারণ করা হচ্ছে। আবর্জনা ফেলার বিষয়েও সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেউ কেউ যখন তখন, যত্রতত্র, খালে-বিলে, নালায় আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে-যা কাম্য নয়।
এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর আবুল হাসেম, ডা. আরিফুল আমিন, এরশাদুল আমিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী অসীম কুমার বড়ুয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাদরুল হকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র খালের মাটি উত্তোলন ও অপসারণ কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারদের বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব শতভাগ শেষ করার নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে মেয়র খালের ওপর নির্মিত হজরত ওমরবিন খাত্তাব (রা.) মসজিদ নিরাপদ ও বৈধ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য মসজিদ কমিটিকে নির্দেশ দেন। এছাড়াও ‘হাংগ্রি’ নামের একটি খাবার দোকানের অবৈধ অংশ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

Comments are closed.