নাটোর: আম মৌসুমী রসালো ফল। আমের রসালো সাধ পেতে সবাই যখন মুখিয়ে, তখন কমেক্যিাল দিয়ে অপরিপক্ক আম পাকানোর ধুম পড়েছে নাটোরে। যা জনস্বাস্থ্যে জন্য মারাত্তক ক্ষতিকর। তবে বাগাতিপাড়ায় দুই আম ব্যসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগাতিপাড়া উপজেলার ব্রজপুর গ্রামে ইউনও খন্দকার ফরহাদ আহম্মদ এই জরিমানা করেন।
বেশি দামের আশায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দুই ব্যবসায়ী অপরিপক্ক কাঁচা আম গাছ থেকে সংগ্রহ করে। সংগ্রহের পর ওই ব্যবসায়ীরা বাগানেই দ্রুত আম পাকানোর জন্য ক্যালসিয়াম কার্বাইড স্প্রে করতে থাকে।
এ সময় এলাকাবাসীরা বিষয়টি দেখে ওই দুই ব্যবসায়ীকে হাতে নাতে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ইউএনও খন্দকার ফরহাদ আহম্মদ পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন।
সূত্র বলছে, দুজন ব্যবসায়ীকে দণ্ড দেয়া হলেও আম পাকাতে কেমিক্যালের ব্যবহার অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা চালিয়ে যাচ্ছেন। মৌসুমের শুরুতে আমের চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় ব্যবসায়ীরা এ প্রক্রিয়ায় আম পাকাচ্ছেন বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক হওয়া পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি বিভাগ।
বাগাতিপাড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা বাবুল কুমার সূত্রধর জানান, আগামী ১৫ মে থেকে বাগান মালিকদের আঁটির আম পাড়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া লঙ্কন ভোগ, গোপাল ভোগ ২৫ মে, খিরসাপাত ৩০ মে, আম রুপালি ৮ জুন, ফজলি ১০ জুন এবং আশ্বিনা আম ৩০ মে থেকে বাগান মালিক এবং ব্যবসায়ীরা পাড়তে পারবেন।
এর ব্যাতিক্রম হলে বা ভিন্ন উপায়ে অপরিপক্ক আম কাপাতে কেমিক্যালের ব্যবহার করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কৃষি বিভাগও সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।

Comments are closed.