পিএসজিকে কাপ জিতিয়ে ইব্রাহিমোভিচের বিদায়

খেলাধুলা : নিজের কথামতোই রাজার মতো এসে কিংবদন্তি হয়ে চলে যাচ্ছেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। পিএসজির হয়ে বিদায়ী ম্যাচেও জ্বলে উঠলেন, গোল করলেন, করালেন এবং ম্যাচ শেষে মেতে উঠলেন শিরোপা উদযাপনে। শনিবার রাতে অলিম্পিক মার্শেইকে ৪-২ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফরাসি কাপ জিতেছে পিএসজি। ২০১২ সালের জুলাইয়ে পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে টানা চারটি লিগসহ দলের সঙ্গে মোট ১২টি শিরোপা জিতলেন ইব্রাহিমোভিচ।

প্যারিসে জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে ইব্রাহিমোভিচের বিদায়ী ম্যাচে দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। ডানদিক থেকে আনহেল দি মারিয়ার নীচু ক্রস পেয়ে কাছের পোস্ট দিলে বল জালে জড়ান ব্লেইস মাতুইদি। এ মৌসুমে ফরাসি মিডফিল্ডারের এটি পঞ্চম এবং ফরাসি কাপে প্রথম গোল।

শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি পিএসজির। ১০ মিনিট পরেই ১২ গজ দূর থেকে মার্সেইকে সমতায় ফেরান ফরাসি মিডফিল্ডার ফ্লোরিয়াঁ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফের এগিয়ে যায় পিএসজি। ডি-বক্সে মাতুইদিকে মার্সেইয়ের ডিফেন্ডার নিকোলাস এনকৌলো ফাউল করলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। তা থেকে নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করেন ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত ফুটবলার ইব্রাহিমোভিচ।
৫৬তম মিনিটে ইব্রাহিমোভিচের বাড়ানো বল ধরে স্কোরলাইন ৩-১ করে শিরোপা ধরে রাখা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড এদিনসন কাভানি।

৮২তম মিনিটে আবারও ইব্রাহিমোভিচের সেই আগ্রাসী রূপ; মাঝ মাঠের কাছ থেকে বল পায়ে ক্ষিপ্র গতিতে ডি বক্সে ঢুকে সামনে থাকা গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

এরই সঙ্গে এ মৌসুমে গোলের অর্ধশতক পূর্ণ করলেন ইব্রাহিমোভিচ। এবারের লিগ ওয়ানে সর্বোচ্চ ৩৮ গোল করে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের পুরনো রেকর্ড ভেঙেছিলেন সুইডেনের এই স্ট্রাইকার।

৮৭তম মিনিটে মার্শেইয়ের হারের ব্যবধান কমান বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড মিচি বাতসুয়াই। ফরাসি কাপে পিএসজির এটি দশম শিরোপা; প্রতিযোগিতার সফলতম দল মার্শেইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে শিরোপাজয়ীদের তালিকার শীর্ষে উঠে বসল লরাঁ ব্লাঁর দল।

এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.