ফাইনালে হায়দরাবাদ: সূর্য হয়ে জ্বললেন ওয়ার্নার

নয়াদিল্লি: অনবদ্য ডেভিড ওয়ার্নার৷ক্রিকেটীয় পরিভাষায় যাকে বলে ‘ক্যাপ্টেন্স নক’৷শুক্রবার ফিরোজ শাহ কোটলায় ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিং নৈপূণের সুবাদেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদ চার উইকেটে হারিয়ে দিল সুরেশ রায়নার গুজরাত লায়ন্সকে৷

আগামী রবিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধেই নবম আইপিএল  ফাইনাল খেলবে ওয়ার্নারের হায়দরাবাদ৷এই প্রথম আইপিএল ফাইনাল খেলবে হায়দরাবাদ৷

এদিন টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় হায়দরাবাদ৷হায়দরাবাদ বোলিং ইউনিটে এদিন ছিলেন না দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সিমার মুস্তাফিজুর রহমান৷চোটের জন্য তাঁর বদলে খেললেন নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট৷

গুজরাট ব্যাট করতে নেমে ১৯ রানেই দু’উইকেট হারায়৷দলের ওপেনার পাঁচ রানেই আউট হয়ে ফিরে যান৷প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে নেমেছিলেন সুরেশ রায়না৷কিন্তু বোল্টের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে মাত্র এক রান করেই ফিরে যান তিনি৷

ক্রিজে ছিলেন ব্র্যান্ডন ম্যাকালাম৷চার নম্বরে ব্যাট করতে আসা দীনেশ কার্ত্তিক আর ম্যাকালাম তৃতীয় উইকেট পার্টনারশিপে ৪৪ রান যোগ করেন৷২৬ রান করে কার্ত্তিক আউট হয়ে যান৷এরপর ম্যাকালামের ইনিংস ৩২-এ থামিয়ে দেন বিপুল শর্মা৷ম্যাকালাম যখন ডাগআউটে ফেরেন তখন গুজরাটের স্কোর চার উইকেট হারিয়ে ৮১৷

এখান থেকে অ্যারন ফিঞ্চ কিছুটা ইনিংস ধরার চেষ্টা করেন৷৩২ বলে অর্ধ-শতরান করে আউট হয়ে যান তিনি৷এরপর রবীন্দ্র জাদেজা (১৯) ও ডোয়েন ব্র্যাভো (২০) ১৬২ রানে গিয়ে থামান গুজরাতের ইনিস৷এদিন ভুবণেশ্বর কুমার ও বেন কাটিং দু’টি করে উইকেট নেন৷বোল্ট ও বিপুল শর্মা পেয়েছেন একটি করে৷

১৬২ রান তাড়া করতে নেমে ৮৪ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় সানরাইজার্স৷ ধাওয়ান (০), হেনরিকিউয়েস (১১), যুবরাজ (৮), হুডা (৪), কাটিং (৮) ফিরে যান৷ কিন্তু ক্রিজে ছিলেন ক্যাপ্টেন ওয়ার্নার৷শেষ পর্যন্ত তিনি ক্রিজ কামড়ে পড়ে থাকলেন৷রায়নার কোনও বোলারই তাঁর ব্যাটকে আজ শান্ত করতে পারেননি৷৫৮ বলে ৯৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন ওয়ার্নার৷এগারোটি চার ও তিনটি ছয়ের সুবাদে সাজানো তাঁর এই ইনিংসই হায়দরাবাদকে ফাইনালে নিয়ে গেল৷ ওয়ার্নার আজ যেন ‘ওয়ান ম্যান আর্মি৷’ স্বভাবতই ম্যাচ ও তিনিই হলেন৷

এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.