বরফে রেখে ওজন বাড়িয়ে মাংস বিক্রি

জামাল জাহেদ, কক্সবাজার : গোপনীয় ভাবে জবাই করার আগে গরু শিরায় শিরায় পানি ঢুকিয়ে মাংসের ওজন বাড়ানো হতো আগে। কোরবানের আগে মোটাতাজাকরন করে গরু বিক্রি হয়েছিলো হরহামেশাই কিন্তু দিন পাল্টিয়েছে, তাই পাল্টে গেছে নিয়মনীতি সততা। গরুর মাংস বরফে রেখে ওজন বাড়িয়ে বিক্রির অভিনব কৌশল বের করছেন কসাই ব্যবসায়ীরা। এবার ওজন বাড়াতে বরফে রাখা হয় মাংস। তারপর সেই মাংস ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।বরফে রাখার ফলে জমাট বাধা বরফ টুকরা মাংস ভেদ করে চুষে নেয় পানি তারপর ওজনতাব বাড়িয়ে বিক্রি করে দোকানদারেরা।

কক্সবাজার রুমানিয়ার ছড়া বিমান বন্দর রোড,কালুর দোকান, বাহারছড়া বাজার,বাজারঘাটা এলাকায় প্রায়শ এ রকম কাজ প্রতারক চক্র প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে বলে রহিম মিয়া নামক বোটের মালিক জানায়। সে সপ্তাহে একবার বোটে গরুর মাংস দেয় শ্রমিকের খাবারে কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবৎ বরফের মাংস দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন আমাদের প্রতিবেদককে।

বাজারঘাটা কাঁচাবাজারে এমন ঘটনাই ধরা পড়েছে অনেক সময়,এমনকি মাঝে মাঝে মরা গরুর মাংস ও কৌশলে বিক্রি করা চেষ্টা ও ধরে পড়ে বলে জানায় স্থানীয় জনগন। মেয়াদোত্তীর্ণ মাছ-মাংস ও অন্যান্য খাদ্য কয়েকটি বাজারের দোকানে বেশি দামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এই মাংস আবার সদ্য জবাই করা গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছে প্রতারনা করতে। এভাবে পৌরসভার নির্ধারিত মূল্য ৪২০ টাকার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করে যাচ্ছে কক্সবাজারের মাংস ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর ইসলাম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমরা অভিযান চালাই, জরিমানা করি, শাস্তি দেই। কিন্তু চলে যাওয়ার পর আবারও একই কাজ করে তারা। এর জন্য শুধুমাত্র জরিমানা করে বা শাস্তি দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এর জন্য ব্যবসায়ীদের নৈতিকভাবে সচেতন হতে হবে জানান তিনি।

বাজার মনিটরিং ঠিকভাবে করা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযানে আসার আগে আমাদের টিম এসে বাজার পরিদর্শন করে যায়। ফলে আমরা জানতে পারি কোথায় কি হচ্ছে। আমরা সেভাবেই ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।

এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.