খেলাধুলা : স্বপ্নের পথচলা শেষ হলো আইসল্যান্ডের। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ আটের লড়াইয়ে ফেভারিট ফ্রান্সের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে গেছে প্রথমবারের মতো বড় কোনো প্রতিযোগিতায় খেলতে আসা দেশটি। ফ্রান্সের ৫-২ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেন অলিভিয়ে জিরুদ।
রবিবার সা-দেঁনিতে দ্বাদশ মিনিটেই এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ব্লেইস মাতুইদির ডিফেন্স চেরা পাস খুঁজে পায় অফ সাইড ফাঁদ ভাঙা জিরুদকে। আর্সেনাল ফরোয়ার্ডের কোনাকুনি শট ফেরানোর কোনো সুযোগই ছিল না গোলরক্ষকের। ২০তম মিনিটে স্বাগতিক সমর্থকদের আবার উল্লাসে মাতান পগবা। গ্রিজমানের কর্নারে লাফিয়ে হেড করে বল জালে পাঠান ইউভেন্তুসের এই মিডফিল্ডার। আইসল্যান্ডের এক খেলোয়াড় গোললাইন থেকে বল ফেরানোর চেষ্টা করলেও পারেননি।
গোল শোধ না রক্ষণ, এনিয়ে অতিথিদের দ্বিধার সুযোগে প্রথমাধের্র শেষ দিকে দুবার জালে বল পাঠায় ফরাসিরা।
৪৩তম মিনিটে গ্রিজমানের কাছ থেকে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন পায়েত। দুই মিনিট পর গোল উত্সবে যোগ দেন গ্রিজমান; মাঝমাঠে বল পেয়ে অনেকটা দৌড়ে চিপ শটে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন আতলেতিকো মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। খেলার ধারার বিপরীতে দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬তম মিনিটে ব্যবধান কমান কোলবেইন সিগথোরসন। জিলফি সিগার্ডসনের দারুণ ক্রসে খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান তিনি।
ব্যবধান কমানোর আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি আইসল্যান্ডের। তিন মিনিট পরেই ব্যবধান আগের জায়গায় নিয়ে যান জিরুদ। পায়েতের দারুণ ফ্রি-কিকে আর্সেনাল ফরোয়াডের্র হেড জাল খুঁজে নেয়। চলতি আসরে কোনো ম্যাচে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ গোল। এর আগে হাঙ্গেরির জালে চারবার বল পাঠায় বেলজিয়াম। হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল জিরুদের সামনে। কিন্তু দ্বিতীয় গোল দেওয়ার পরপরই তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ দিদিয়ে দেশম। মাঠের বাইরে কোচের সঙ্গে লম্বা সময় ধরে কথা বলতে দেখা যায় জিরুদকে।
এরপর কোসাইনলি ও পায়েতকেও তুলে নেন দেশম। তার ছাপ পড়ে খেলাতেও। সেই সুযোগে ৮৪তম মিনিটে বারকির বিয়ারনাসনের হেডে ব্যবধান কমায় আইসল্যান্ড। বাকি সময়ে গোলের পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই। খবর বিডিনিউজের।

Comments are closed.