রিও অলিম্পিক উদ্বোধন

0

অনলাইন ডেস্ক : বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন করা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উৎসব রিও অলিম্পিক। বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সাম্বা, বোসা নোভা আর ফাংকের তালে ব্রাজিলের ঐতিহ্য, রেইনফরেস্ট আর বৈচিত্র্যপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উপস্থাপন হলো মারাকানা স্টেডিয়ামে। তুলে ধরা হয় প্রায় ৫ শতাব্দী আগে ইউরোপীয়রা পা রাখার পর থেকে ব্রাজিলের পথচলা। ব্রাজিল বিশ্বের প্রায় ৩০০ কোটি টিভি দর্শককে আহ্বান জানাল পৃথিবীর যত্ন নিতে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট আমাজন রক্ষায়ও আহ্বান এল।

এক দফা আতশবাজির উৎসবের পর মাঠে আসেন অ্যাথলেটরা। বর্ণানুক্রমে সবার আগে আসে আফগানিস্তান। সবার শেষে স্বাগতিক ব্রাজিল।
বাংলাদেশের পতাকা ছিল অলিম্পিকে সরাসরি অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করা প্রথম বাংলাদেশি অ্যাথলেট সিদ্দিকুর রহমানের হাতে। গলফে পদকের জন্য লড়বেন তিনি।

ব্রাজিলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মিশেল তেমার দক্ষিণ আমেরিকার মাটিতে প্রথম অলিম্পিকের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অলিম্পিক মশাল স্টেডিয়ামে বহন করে আনেন ব্রাজিলের সাবেক টেনিস খেলোয়াড় গুস্তাভো কুয়ের্তেন। তিন বারের ফরাসি ওপেন জয়ী কুয়ের্তেন ২০০০ এর শুরুর দিকে বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড়ও ছিলেন। অলিম্পিকের মূল মশালটা প্রজ্জলিত করেন অ্যথলেট ভানদেরলেই দি লিমা।

আয়োজকরা মনে করছেন, অলিম্পিক উপলক্ষে আসবেন ৫ লাখেরও বেশি পর্যটক। তবে উদ্বোধনের আগের দিন পর্যন্ত মোট ৭৫ লাখ টিকেটের মধ্যে ১০ লাখেরও বেশি টিকেট অবিক্রিত রয়ে গেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে অলিম্পিকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অলিম্পিকের বিভিন্ন ভেন্যু, অলিম্পিক ভিলেজ, বিমানবন্দর ও প্রধান সড়কগুলোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে প্রায় ৫৫টি দেশের ৮৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী, যা লন্ডনে ২০১২ অলিম্পিকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.