বিশেষ প্রতিবেদক,সিটিনিউজবিডি : যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর।জামাতের রাজনীতির অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত মীর কাসেম আলী চট্টগ্রাম শহরে অগনিত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষ হত্যাকারী চিাহ্নত বদর কমান্ডার ফাঁসি আজ রাত কাশিমপুর কারাগারে রাত ১০.৩০ মিনিটে কার্যকর করা হয় । এই দিকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে গনজাগরণ মঞ্চ ও সাধারন মানুষ উচ্চাস প্রকাশ করছে ।
এর আগে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাই কারাগারে প্রবেশ করেছেন।
সকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেমের সাথে দেখা করতে তার পরিবারকে ডেকেছিল কারা কর্তৃপক্ষ। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তাদের দেখা করতে বলা হয়েছে। পরে পরিবারের প্রায় অর্ধশত সদস্য কারাগারে প্রবেশ করেন।
এদিকে, সকাল থেকে কাশিমপুর কারাগারের চারপাশে এবং কারা ফটকের সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গেছে। সেই সাথে আজ সকাল থেকে অন্যান্য আসামির স্বজন ও দর্শনার্থীদের ভেতরে ঢোকার ব্যাপারে বাড়তি তল্লাশি এবং কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
অন্যদিকে কাশিমপুর কারাগারের আশেপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের আগে কাশিমপুর কারাগার পরিদর্শনে এসে তিনি একথা জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, যেকোনো ধরণের নাশকতা মোকাবিলায় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে পুলিশ পাহারায় রাত পৌনে নয়টার দিকে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স কারাগারে ঢুকতে দেখা গেছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ কারাগারের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগার হিসেবে সব সময়ই অতিরিক্ত নিরাপত্তা থাকে। আজকের বিরাজমান পরিস্থিতির কারণে চার স্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ পাহারায় লাশ পৌঁছে দেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে এসপি বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষ যেভাবে বলবে আমরা সেভাবে করব।
